‘পরিবেশ অধিদপ্তরকে বন্ধুর ভূমিকায় থাকতে হবে’
g বিশেষ প্রতিনিধি০৯ মে, ২০১৬ ইং
পরিবেশ আইন বাস্তবায়ন এবং পরিবেশ ছাড়পত্র বিষয়ক এক কর্মশালায় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বলেছেন, পরিবেশ অধিদপ্তরকে পুলিশের ভূমিকায় না গিয়ে বন্ধুর ভূমিকায় থাকতে হবে। তারা বলেন, অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা পরিবেশ আইন মেনে চলতে চান তাদেরকে সে সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। এনফোর্সমেন্ট, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও শিল্প-কারখানায় ইটিপি স্থাপনসহ সার্বিক কার্যক্রমের বিষয়ে গতকাল আয়োজিত ওই কর্মশালায় শিল্প-কারখানার মালিকরা তাদের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। ঢাকা ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী ফখরুল ইসলাম বলেন, ওয়াসার সব প্রকল্প রেড জোনে হবার কারণে অনেক সময় প্রকল্প বাস্তবায়নে সমস্যা হয়। এর ফলে সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। তিনি এসব প্রকল্পকে রেড জোনের বাইরে আনার পরামর্শ দেন। একটি কীটনাশক উত্পাদনকারী কারখানার মালিক সাদিকুল ইসলাম বলেন, কীটনাশক কারখানায় পানির ব্যবহার নেই বললেই চলে। এজন্য এ খাতের কারখানাগুলো ইটিপি স্থাপনের বাইরে রাখার পরামর্শ দেন।

বিকেএমইএ-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, নীটওয়্যার খাতের কারখানাগুলোকে প্রতিবছর চারবার পরিদর্শন রিপোর্ট জমা দিতে হয়। এটি ঝামেলার কাজ। বছরে একবার রিপোর্ট প্রদানের ব্যবস্থা করা হলে ঝামেলা অনেক কমে যায়। চালকল মালিক সমিতির পক্ষে আবদুল আজিজ বলেন, সারাদেশে ১৮ হাজার চালকল আছে। এসব কারখানায় ছাই একটি বড় সমস্যা। এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা চান তিনি। অটো রি-রোলিং মিলের পক্ষ থেকে বলা হয়, দূষণের জন্য সবাইকে সমানভাবে দায়ী না করে কোন্ কারখানা কি পরিমাণ দূষণ করে তা নির্ধারণ করতে হবে। গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ খাতের কারখানাগুলো পরিবেশ দূষণ করে না। সেজন্য কারখানাগুলোর পরিবেশ ছাড়পত্র নেয়ার দরকার নেই।

ইনসেপটা ফার্মার পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি জেনারেটর স্থাপনের জন্য তিনবার লাইসেন্স নিতে হয়। এটি কমিয়ে এনে একবার করা হলে উদ্যোক্তারা হয়রানির হাত থেকে বাঁচতে পারেন। একটি স্পিনিং মিলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলা হয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ওই কারখানা কর্তৃপক্ষকে শুনানিতে ডেকে নিয়ে আটকে রাখে। পরে অফিস থেকে টাকা এনে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে ওই ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে আনা হয়। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: রইছউদ্দিন মন্ডল বলেন, বাংলাদেশের অনেক কারখানা বিশ্বমানের হলেও এর বিপরীত চিত্রও আছে। ট্যানারি মালিকদের জমি ও ক্ষতিপূরণ দিয়েও হাজারীবাগ থেকে সরানো যাচ্ছে না। তিনি বলেন, এনফোর্সমেন্টের কারণে শিল্প-কারখানার মালিকরা পরিবেশ দূষণ কম করছেন। এটি বন্ধ হলে পরিবেশ দূষণ আরো বাড়বে।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৯ মে, ২০১৭ ইং
ফজর৩:৫৬
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:৩৪
এশা৭:৫৩
সূর্যোদয় - ৫:১৮সূর্যাস্ত - ০৬:২৯
পড়ুন