ঢাকা-চট্টগ্রাম ইকোনমিক করিডোরকে কার্যকরে মাস্টারপ্ল্যান প্রয়োজন
পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে ডিসিসিআই নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত্
ইত্তেফাক রিপোর্ট২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ইং
ঢাকা-চট্টগ্রাম ইকোনমিক করিডোরকে কার্যকর করার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন একান্ত অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আবুল কাসেম খান। ব্লু ইকোনমির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি সমুদ্র এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধান এবং কোস্টাল ট্যুরিজম প্রবর্তনের আহ্বান জানান তিনি। গতকাল ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতির নেতৃত্বে ডিসিসিআইয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ গতকাল পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাত্ করেন। পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ অবকাঠামো, জ্বালানি ও যোগাযোগ খাতে প্রতিবছর প্রায় ৬৩২ কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে, যা জিডিপির দুই দশমিক ৮৭ শতাংশ, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে ৩২০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন, যা জিডিপির পাঁচ শতাংশ এবং এ লক্ষ্যে খাত-ভিত্তিক শিল্পে যথাযথ পরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের ওপর জোর দিতে হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেছেন, সরকার দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বিকাশের লক্ষ্যে এসইজেড এবং ইপিজেড এলাকার কাছাকাছি স্থানে বিসিক শিল্পনগরী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি যত্রতত্র শিল্প-কারখানা স্থাপন না করে, বিশেষায়িত শিল্প এলাকায় কল-কারখানা স্থাপনের জন্য ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে বিদ্যুত্ সমস্যার সমাধান হবে এবং শিল্প-কারখানার পাশাপাশি বসত বাড়িতে চাহিদা মাফিক বিদ্যুত্ সংযোগ প্রদান করা যাবে, যার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং
ফজর৫:১২
যোহর১২:১৩
আসর৪:২০
মাগরিব৬:০০
এশা৭:১৩
সূর্যোদয় - ৬:২৮সূর্যাস্ত - ০৫:৫৫
পড়ুন