নাগরিক সমস্যা সমাধানে নতুন মহাপরিকল্পনা লাগবে -এলজিআরডি মন্ত্রী
১৭ জুলাই, ২০১৭ ইং
g ইত্তেফাক রিপোর্ট

জলাবদ্ধতা, যানজট নিরসনসহ নাগরিক সমস্যা সমাধানে নতুন মহাপরিকল্পনা তৈরি করতে ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনকে তাগিদ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

গতকাল রবিবার দুপুরে গুলশান-২ এর উত্তর সিটি করপোরেশন ভবনে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ওয়াসার এমডি মহোদয় বলে দিলেন যে মাস্টার প্ল্যান করা আছে। ঐ মাস্টার প্ল্যান যে এখন একেবারেই বাস্তবায়নযোগ্য নয়, এটা ওনার ধারণায় নাই। এখন সিটি করপোরেশন কিন্তু তিন থেকে চারগুণ বেড়ে গেছে। আরো ১৬টা ইউনিয়ন কাউন্সিল যোগ হয়ে গেছে। এর মধ্যে উত্তরে আটটা ও দক্ষিণে আটটা। আগের এলাকা থেকে বর্তমান এলাকা দুই তিনগুণ বড়।

এসময় মন্ত্রী মেয়র সাঈদ খোকনকে উদ্দেশ করে বলেন, কাজেই আগের যেকোন প্ল্যান এখন আর কাজে আসবে না। ওয়াটার সাপ্লাই হোক, ট্রান্সপোর্টেশন হোক, যত মাস্টার প্ল্যানই করে থাকেন এটা আজকের বাস্তবতায় মিলে না। আপনাকে নতুন করে আপনার এক্সটেন্ডেড জায়গার কথা চিন্তা করে মাস্টার প্ল্যান করে আগাতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমি মেয়র ও ওয়াসার এমডি মহোদয়কে অনুরোধ করি, আপনারা একটা ক্লিয়ার মাস্টার প্ল্যান করেন। আমরা মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে যে টাকা পয়সার প্রয়োজন হবে, পরিকল্পনা কমিশন ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবো।

মন্ত্রী বলেন, নগরীর বর্জ্য ম্যানেজ করতে হলে ইনসিনারেশন ছাড়া অন্য কোন অপশন নাই। এই সাত থেকে আট হাজার টন বর্জ্য একেকটা করপোরেশনের, এগুলো নিয়ে আমরা যাব কোথায়?

খন্দকার মোশাররফ বলেন, এই যে খালগুলো ভরে গেছে এগুলোর সবগুলো কিন্তু মাটি দিয়ে ভরে নাই। এই সবগুলোই গৃহস্থালী বর্জ্য দিয়ে ভরা। কী কারণে জানি না আমরা কিন্তু সেপটিক ট্যাংক ব্যবহার করছি না। এই সেপটিক ট্যাংক কিন্তু অত্যন্ত কার্যকরী সেনিটেশন ব্যবস্থা।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৭ জুলাই, ২০১৭ ইং
ফজর৩:৫৫
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৩
সূর্যোদয় - ৫:২১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পড়ুন