চরফ্যাশনে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
শিক্ষকদের দিয়ে অফিসের কাজ
০৪ জুলাই, ২০১৫ ইং
g চরফ্যাশন (ভোলা) সংবাদদাতা

চরফ্যাশন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার দুর্নীতি ও অনিয়মের কবল থেকে শিক্ষকদেরকে রক্ষার দাবি জানিয়ে উপ-পরিচালক, বরিশাল বরাবরে বেশ কয়েকজন শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দেন। শিক্ষকদের দেয়া অভিযোগ এবং শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক প্রতি ৫শ’ থেকে ১ হাজার  টাকা নিয়ে প্রশিক্ষণ তালিকা তৈরি করে শিক্ষা অফিসারকে দেয়ার দায়িত্বে রয়েছেন হামিদপুর নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সদ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুল আলম। শ্রান্তি বিনোদন ভাতার নামের তালিকা তৈরির জন্য জন প্রতি ৩শ’ থেকে ৫শ’  টাকা এবং উচ্চ ধাপে বেতন স্কেল নির্ধারণ সার্ভিস বহিতে উঠানোর নামে জনপ্রতি ১শ’ টাকা করে উত্তোলনের দায়িত্বে আছেন নীলকমল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিমউদ্দিন।

নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষকরা যে যে বিষয়ে পারদর্শী ও বিদ্যালয়ে পাঠদান করছেন তিনি সেই বিষয়ে এবং কম্পিউটারে পারদর্শীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ পাওয়ার কথা থাকলেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন আর একই শিক্ষক টাকা দিয়ে বার বার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। সাবেক ও সদ্য সরকারি ১৯৫টি বিদ্যালয়ে দুই কিস্তিতে স্লি­পের ৫৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার বরাদ্দ থেকে বিদ্যালয় প্রতি ২ হাজার টাকা, ১০টি বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের ৮ লাখ ৪৪ হাজার থেকে বিদ্যালয় প্রতি ১০ হাজার টাকা এবং ১৭টি বিদ্যালয়ের টয়লেট নির্মাণের ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা থেকে বিদ্যালয় প্রতি ১০ হাজার টাকা করে আদায় করেছেন। এসব টাকা জমা হয়েছে ক্যাশিয়ার জসিম ও অফিস সহকারী শহিদ মিয়ার নিকট।

শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অফিস করছেন ২জন প্রধান শিক্ষক। তাদের কথা ছাড়া কোন কাজ হয় না। তাদেরকে টাকা দিলে সুবিধামত বদলি, ডেপুটেশন, বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, বিনোদন ভাতা, স্লিপ, টয়লেট নির্মাণ ও ক্ষুদ্র মেরামতের বরাদ্দ দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষক আবু তাহের জানান, তার এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেয়ায় তাকে অন্য অজুহাতে কারণ দর্শানোর নোটিস করেছেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষক সামসুল আলম বলেন, আমি শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে অফিসিয়াল কাজে সহযোগিতা করছি। জসিমউদ্দিন বলেন, আমি স্কুল করে শিক্ষা অফিসে আসি। তারপর স্যারের (শিক্ষা অফিসারের) নির্দেশে অফিসিয়াল কিছু কাজ করি। শিক্ষা কর্মকর্তা জালাল আহম্মেদ বলেন, অফিসে জনবল কম থাকায় দু’জন শিক্ষক অফিসে কাজ করছে। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ উদ্দেশ্যমূলক ও ভিত্তিহীন।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৪ জুলাই, ২০১৭ ইং
ফজর৩:৪৮
যোহর১২:০৩
আসর৪:৪৩
মাগরিব৬:৫৩
এশা৮:১৭
সূর্যোদয় - ৫:১৫সূর্যাস্ত - ০৬:৪৮
পড়ুন