নদীর ভরাট জায়গা দখল নিয়ে দ্বন্দ্ব
২১ এপ্রিল, ২০১৭ ইং
বটিয়াঘাটা (খুলনা) সংবাদদাতা

উপজেলার সীমানা দিয়ে প্রবাহিত পশুর নদীর ভরাট জায়গার দখল নিয়ে তিন উপজেলার মানুষের মধ্যে ২০ বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে।

পশুর নদীর শেষ প্রান্ত বটিয়াঘাটা, রামপাল ও ফকিরহাট উপজেলাকে পৃথক করে দিয়েছে। নদীর ভরাট জায়গায় দখল নিয়েছে তিন উপজেলার মানুষ। সীমানা চিহ্নিত না থাকায় এক উপজেলার মানুষ অন্য উপজেলায় বসবাস করায় বদলে গেছে তিন উপজেলার মানচিত্র। জমির দখল নিয়ে প্রতিনিয়ত দ্বন্দ্ব লেগেই আছে। ভোটার তালিকা তৈরিতেও বিড়ম্বনা দেখা দেয়। অন্য উপজেলায় বসবাস করায় নির্বাচনের সময় ভোট দিতে যেতে হয় আরেক উপজেলায়। পশুর নদীর এক পারে রয়েছে বটিয়াঘাটা উপজেলার ভাণ্ডারকোট ইউনিয়ন।

অন্য পারে রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ও ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়ন। সীমান্তে বসবাসকারী এ সব মানুষ বিচারপ্রাপ্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গেলে তাদের অন্য ইউনিয়নের মানুষ বলে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

বিষয়টি নিয়ে বটিয়াঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান বলেন, ‘নদী ভরাটের পর কোনো প্রকার সীমানা নির্ধারণ ছাড়াই ছিন্নমূল মানুষ সেখানে বসবাস শুরু করে। কয়েক বছর আগে খুলনা ও বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিলেও রাজনৈতিক কারণে সম্ভব হয়নি।’

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২১ এপ্রিল, ২০১৭ ইং
ফজর৪:১৪
যোহর১১:৫৮
আসর৪:৩১
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪১
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পড়ুন