সোনাইমুড়িতে প্রধান সড়কে যানজট, জনদুর্ভোগ চরমে
সোনাইমুড়িতে প্রধান সড়কে যানজট, জনদুর্ভোগ চরমে
জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কে যানজট লেগেই থাকে। বিভিন্ন বাস এবং সিএনজি, অটোরিক্সা এলোপাতাড়িভাবে রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এতে করে পথচারী এবং সোনাইমুড়ি বাজারের ব্যবসায়ীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

জানা গেছে, সোনাইমুড়ি উপজেলা সদর সোনাইমুড়ি উপজেলা পরিষদের এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সোনাইমুড়ি বাজার জেলার মধ্যে ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে প্রসিদ্ধ। রামগঞ্জ-সোনাইমুড়ি মাইজদি সড়কের রামগঞ্জ থেকে সোনাইমুড়ি ঢুকতে এর প্রধান সড়কের উত্তর পাশে যাত্রীবাহী বাসসহ অন্যান্য যানবাহন এলোমেলো অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকে। অন্য পাশ সিএনজি, অটোরিক্সার দখলে। এই সড়ক দিয়ে যাত্রীদের চলাচল করতে হয় ঝুঁকি নিয়ে। মাঝে-মধ্যে রাস্তা পার হতে অনেক সময় লাগে। সোনাইমুড়ির উপর দিয়ে প্রতিদিন চাটখিল রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর এবং নোয়াখালী থেকে দু’শ যাত্রীবাহী ঢাকাগামী বাস চলাচল করে। তাছাড়া চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান এবং লোকাল আরো শতাধিক যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে। সোনাইমুড়ি তিন রাস্তার মোড়ে আন্তঃজেলা বাসগুলোর কাউন্টার থাকায় এখানে যানজট লেগেই থাকে। পৌর বাজারের ব্যস্ততম সড়ক রেজিষ্ট্রি অফিস রোড, সাইমুন হোটেলের সামনে রাস্তায় গড়ে উঠেছে রামগঞ্জ সোনাপুর জননী বাস ও চাটখিল চৌমুহনী  সিএনজি, অটোরিক্সা বাসস্ট্যান্ড। রাস্তার উপরে গাড়ি রেখে তারা যাত্রী উঠাচ্ছে। এ কারণে রাস্তার অনেকখানি জায়গা দখল হয়ে আছে।

অপরদিকে ঢাকা-রামগঞ্জ লিংক রোড রেজিস্ট্রি অফিসের গেটের সামনে থেকে শুরু হয়ে সাইমুন হোটেল পর্যন্ত সড়কের উপর গড়ে উঠেছে অটোরিক্সা স্ট্যান্ড। সোনাইমুড়িতে একটি বাসস্ট্যান্ড থাকলেও এটি কোনো কাজে আসছে না। তাছাড়া সিএনজি অটোরিক্সা স্ট্যান্ডের জন্য পৌরসভার নির্ধারিত স্থানটি মাস ছয়েক আগে দখল করে নিয়েছে এক রাজনৈতিক নেতা।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ফয়সাল জানান, জননী বাসস্ট্যান্ডসহ সোনাইমুড়ির অন্যান্য বাস ও সিএনজির অবৈধ স্ট্যান্ড অপসারণের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
ফজর৪:১৩
যোহর১২:০৪
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৩৭
এশা৭:৫৪
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩২
পড়ুন