সমস্যায় জর্জরিত খুলনার কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল
খুলনা অফিস১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
সমস্যায় জর্জরিত খুলনার কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল
নানা সমস্যায় জর্জরিত খুলনার কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল। হোস্টেলের জরাজীর্ণ ভবন থেকে প্রতিনিয়ত পলেস্তরা খসে পড়ছে। তারপরও ঝুঁকি নিয়ে দেড়শ জন কর্মজীবী নারী এ হোস্টেলে থাকছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভবনটির সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেই। হোস্টেলের বাসিন্দাদের আশঙ্কা যে কোনো সময় জরাজীর্ণ এ ভবনটি ভেঙে পড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৮৪ সালে নগরীর বয়রায় খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ মোড়ের অদূরে কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলের ভবন নির্মাণ করা হয়। ১৯৮৬ সাল থেকে ভবনটির কার্যক্রম শুরু হয়। এক বিঘা আট কাঠা জমির ওপর নির্মিত তিনতলা এ হোস্টেলটিতে ১৫০টি বেড রয়েছে। চাকরিজীবী ও চাকরি সন্ধানী নারী এ হোস্টেলের থাকার সুযোগ পান। এখানে চার বেড বিশিষ্ট রুমে জনপ্রতি ভাড়া ৫৬০ টাকা এবং তিন বেড বিশিষ্ট রুমে জন প্রতি ভাড়া ৬১০ টাকা।

হোস্টেলের দোকান ও বোর্ডারদের কাছ থেকে পাওয়া ভাড়া মিলিয়ে প্রতিমাসে ৯৮ হাজার টাকা কর্তৃপক্ষের আয় হয়। এর মধ্য থেকে বিদ্যুত্ বিল বাবদ খরচ হয় প্রায় ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া টেলিফোন ও অন্যান্য বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয় আরো বেশ কিছু টাকা। হোস্টেল পরিচালনার জন্য ১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। তাদের বেতন-ভাতা বাবদ প্রতিমাসে প্রয়োজন হয় দুই লাখ পাঁচ হাজার টাকার। তবে অর্থ সংকটের কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের মাত্র ৫০ শতাংশ দেওয়া হয়। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন সরকারের রাজস্ব খাত থেকে না দেওয়ায় তাদের বেতন দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থ থেকে। ফলে তাদের প্রাপ্য সম্পূর্ণ  বেতন-ভাতা দেওয়া সম্ভব হয় না।

হোস্টেলটি গণপূর্ত বিভাগের তালিকাভুক্ত না হওয়ায় এ সংস্কার কাজ করা হচ্ছে না। ফলে দিন দিন ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে।

এদিকে গত ১৬ জুলাই খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় খুলনা জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নার্গিস ফাতেমা জামিন হোস্টেলটির সমস্যা তুলে ধরেন। সভায় কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলের সভাপতি ও খুলনা জেলা প্রশাসক মো. আমিন উল আহসান সমস্যা সমাধানের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
ফজর৪:১৩
যোহর১২:০৪
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৩৭
এশা৭:৫৪
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩২
পড়ুন