পলাশে ড্যান্ডি নেশায় আসক্ত পথশিশুরা
১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
পলাশ (নরসিংদী) সংবাদদাতা

মরণঘাতী নেশা ড্যান্ডিতে আসক্ত হয়ে পড়ছে পলাশ উপজেলার পথশিশুরা। জুতা কিংবা ফোমে ব্যবহূত সলিউশন (আঠা) পলিথিনে ভরে কিছুক্ষণ পর পর মুখের সামনে নিয়ে শ্বাস টেনে নেশা করছে শিশুরা। এ আঠা নিষিদ্ধ কোনো বস্তু নয়। তাই এই মরণ নেশার দিকে ঝুঁকে পড়ছে পথশিশুরা।

মাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকা মূল্যের এই জুতার আঠা খুব সহজেই বাজার থেকে কিনতে পারছে এসব শিশুরা। এ নেশায় অধিকাংশ পথশিশু এলাকার বিভিন্ন ভাঙারি দোকানে কাজ করে। ঘোড়াশাল পৌর এলাকার রেলস্টেশন ও বাজার এলাকায় তাদের পদচারণা বেশি। ময়লা আবর্জনায় ফেলে দেওয়া প্লাষ্টিক দ্রব্য সংগ্রহ করে তা এলাকার বিভিন্ন ভাঙারি দোকানে বিক্রি করে আসে তাদের নেশার টাকা। অনেক সময় নেশার টাকা না পেয়ে এলাকায় চুরি ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে তারা।

ঘোড়াশাল রেলস্টেশনের পাশে ড্যান্ডি নেশাগ্রস্ত কয়েকজন শিশু বলে, ড্যান্ডি বানাইয়া খাই, ভাই। এলা কি হইছে?। এটি খাইলে মনে দুঃখ থাকে না, কোনো ক্ষুধাও লাগে না। ড্যান্ডি কীভাবে সংগ্রহ করা হয় এমন প্রশ্নের জবাবে তারা জানায়, খুব সহজেই অল্প টাকায় দোকান থেকে এটি কিনা যায়। অনেক দোকানদার শিশুদের কাছে বিক্রি করার জন্য এসব রাখে। এছাড়া জুতা সেলাইকারীদের টাকা দিলে তারাও এনে দেয়।

পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আল বেলাল হোসেন জানান, আঠার গ্যাস শরীরের ভেতর প্রবেশ করে ফুসফুসে মারাত্মক ক্ষতি করে। এতে মরণব্যাধী ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পলাশ থানার ওসি আবুল কালাম আজহাদ জানান, ড্যান্ডি বা আঠা জাতীয় দ্রব্যগুলো নিষিদ্ধ ও মাদক আইনে না পরায় এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। এজন্য প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
ফজর৪:১৩
যোহর১২:০৪
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৩৭
এশা৭:৫৪
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩২
পড়ুন