ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে বিলীনের পথে রৌমারীর ১৫ গ্রাম!
ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে বিলীনের পথে রৌমারীর ১৫ গ্রাম!
ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীনের পথে রৌমারীর ১৫ গ্রাম। কুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী উপজেলার বন্দবেড়, চরশৌলমারী ও যাদুরচর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত গ্রামগুলোতে নদের পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে।

রবিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্ব পাড় বাম তীরে অবস্থিত ১৫টি গ্রামে একযোগে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ সব এলাকার মানুষ ভাঙন আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে।

ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো হলো— চরইটালুকান্দা, সাহেবের আলগা, চর গেন্দার আগলা, চর ঘুঘুমারী, ঘুঘুমারী, পূর্ব খেদাইমারী, উত্তর খেদাইমারী, পশ্চিম পাখিউড়া, দক্ষিণ পাখিউড়া, পাখিউড়া, বাগুয়ারচর, বাইসপাড়া, দক্ষিণ বলদমারা পূর্বপাড়া, ধনারচর নতুন গ্রাম, দিগলাপাড়া।

বাগুয়ারচর গ্রামের শিক্ষক আব্দুল মালেক জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নদীতে পানি ভর্তি হলে জিও ব্যাগ দিয়ে কাজ করার বরাদ্দ দেয়। নদীর ভাঙন রোধে কোনো কাজ হয় না। প্রতিবছরে নদী ভাঙনে আমাদের আতঙ্কে থাকতে হয়।

রৌমারী নদী ভাঙন প্রতিরোধ আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সিএসডিকে এনজিওর নির্বাহী পরিচালক মোঃ আবু হানিফ মাস্টার বলেন, উদ্বাস্তু পরিবারের পুনর্বাসন ও নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে রৌমারী ও রাজিবপুর নামের দুটি উপজেলা বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে মহান মুক্তিযুদ্ধের মুক্তাঞ্চল হিসাবে পরিচিত রৌমারী উপজেলা বাংলাদেশের মানচিত্র হতে বিলীন হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) কুড়িগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সফিকুল ইসলাম বলেন, নদ-নদীর পানি একযোগে বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। আমরা ভাঙন রোধে অস্থায়ীভাবে কিছু কিছু জায়গায় জিও ব্যাগ ফেলে রোধের চেষ্টা করছি। ব্রহ্মপত্র নদের ড্রেজিং ও পূর্ব পাড় (বাম তীর) স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ডিপিপি প্রণয়ন করে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৬ জুলাই, ২০১৮ ইং
ফজর৩:৫৫
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:২০সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পড়ুন