কাজ শেষ না হতে নির্মাণাধীন সড়ক ভেঙে জনদুর্ভোগ!
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
কাজ শেষ না হতে নির্মাণাধীন সড়ক ভেঙে জনদুর্ভোগ!

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা

প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে গফরগাঁওয়ের গয়েশপুর-কান্দিপাড়া সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই সড়কের বিভিন্ন স্থান ভেঙে ছোট-বড় অনেক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী শত শত যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহনের যাত্রী ও চালকরা মারাত্মকভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ সড়কটির নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণেই ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে যেনতেনভাবে কাজটি করায় নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই সড়কটি এভাবে ভেঙে যাচ্ছে।

উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এলজিইডির সেকেন্ড রুরাল ট্রান্সপোর্ট ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের অর্থায়নে ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৫ সালের ৪ এপ্রিল তারিখে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শাহজাহান আলী কাজটি শুরু করে। কাজটির প্রাক্কলিত মূল্য ছিল ১৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি প্রাক্কলিত মূল্যের চেয়ে ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বেশি দরে কাজটি নেয়। কাজ শেষ করার নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর। কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই বছর পর সড়কটির নির্মাণ কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে যেনতেনভাবে কাজটি করায় সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভেঙে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির উদঘাটা ব্রিজের কাছেসহ বিভিন্ন জায়গায় সড়কের দুই পাশে ভেঙে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণভাবে যানবাহন চলাচল করছে।

এ সড়কে চলাচলকারী সিএনজিচালক আলী হোসেন বলেন, নিম্নমানের কাজের ফলে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পরপরই সড়কটির যে অবস্থা সড়কটি বেশিদিন টিকবে না।

ঠিকাদার মোঃ শাহজাহান আলী বলেন, ওই রাস্তা নির্মাণের কাজ উপজেলা এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যথাযথ নিয়ম মেনেই করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী তফাজ্জল হোসেন বলেন, এ সড়ক নির্মাণে তদারকির ঘাটতি ছিল না। টেকনিক্যাল কারণে সড়কটির কয়েকটি স্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। মেরামত করে দেওয়া হবে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:২৮
যোহর১১:৫৫
আসর৪:২১
মাগরিব৬:০৮
এশা৭:২১
সূর্যোদয় - ৫:৪৪সূর্যাস্ত - ০৬:০৩
পড়ুন