দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় খানাখন্দে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় খানাখন্দে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ
ময়মনসিংহ-ফুলবাড়িয়া সড়ক

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা

ময়মনসিংহ-ফুলবাড়িয়া সড়ক দীর্ঘদিনেও সংস্কার না করায় ইট-সুরকি উঠে গেছে। কোথাও কোথাও ভেঙে গেছে সড়ক। খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে মানুষ চলছে ঝুঁকি নিয়ে।

ময়মনসিংহ-ফুলবাড়িয়া সড়কের সামনে আরও দুর্দিনের ভাবনা মাথায় রেখেই শহীদুর রহমান নামে এক সরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী প্রশ্ন করলেন, আর কত ক্ষত-বিক্ষত হলে শুরু হবে এ সড়কের নির্মাণ কাজ? গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির নির্মাণ কাজ শুরু হওয়া নিয়ে গড়িমসিতে বিরক্ত শহীদুরের মতোই অনেকেই। বিকালে চাকরি শেষে ফুলবাড়িয়া থেকে ময়মনসিংহ শহরের উদ্দেশে ফেরার পথে দাপুনিয়া মধ্যবাজার এলাকায় কথা হলো তার সঙ্গে।

স্থানীয় দাপুনিয়া মধ্যবাজার এলাকায় সড়কটির বিভিন্ন পয়েন্টে ইট-পিচ ওঠে গিয়ে স্থানে স্থানে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় গর্তের। কোনো কোনো পয়েন্ট আবার ভেঙেচুরে কাদা-পানিতে একাকার। কোথাও বালাই নেই পিচ বা খোয়ার। এর ঠিক সামনে দাপুনিয়া ব্রিজের পর মাত্র ৫ শ’ মিটার জায়গায় ইট-বালু ফেলে কোনোমতে ঈদের আগে স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ ভরাট করলেও এখন সেখানে আবারও কার্পেটিং ও ইট উঠে গেছে।

স্থানীয় কাতলাসেন এলাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক সোহরাব উদ্দিন  বলেন, এ রাস্তার কসাইবাড়ি থেইক্কা দাপুনিয়া ব্রিজ পর্যন্ত গর্ত আর গর্ত। ময়মনসিংহ শহরের সবচেয়ে কাছের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় পৌঁছতে এভাবেই ঘাটে ঘাটে দুর্ভোগ-ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় এলাকাবাসীর। প্রতিবার জোড়াতালির সংস্কারের স্থায়িত্ব হয়নি বেশিদিন। বৃষ্টি হয়েছে তো ধুয়ে-মুছে গেছে সংস্কারের যাবতীয় নিশানা। ফলে প্রতিনিয়তই দুর্ভোগ যন্ত্রণায় মুখে মুখে অভিযোগ আর ক্ষোভ নিয়েই পথ চলতে হয়েছে শত শত মানুষকে।

সড়কের ভালুকজান বাজার অংশে এত বেহাল দশা ভাঙাচুড়া সড়কের কারণে লেগে থাকে যানজট। ইট-সুরকি উঠে গেছে অনেক আগেই। ইটের পর ইট ফেলে সড়ক চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয় কোনমতে। বৃষ্টি হলেই জমে হাঁটু পানি।

গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের বেহাল দশার পরিপ্রেক্ষিতে কার্যকর কী উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ? এ সম্পর্কে জানতে চাইলে ময়মনসিংহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ খান বলেন, গত ১০ আগস্ট এ সড়কের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। দু’টি প্যাকেজে প্রায় ২৬ কোটি টাকার দরপত্র। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে অক্টোবরের শুরুর দিকে কাজ শুরু হবে।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:২৮
যোহর১১:৫৫
আসর৪:২১
মাগরিব৬:০৮
এশা৭:২১
সূর্যোদয় - ৫:৪৪সূর্যাস্ত - ০৬:০৩
পড়ুন