ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ৪ পৌষ ১৪২৬
২০ °সে

ভৈরব নদে শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো

ভৈরব নদে শিক্ষার্থীদের  স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো
জীবনগর (চুয়াডাঙ্গা): এলাকার তরুণ-তরুণীদের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকো —ইত্তেফাক

জীবননগর উপজেলা শহরের আঁশতলাপাড়া-লক্ষ্মীপুর গ্রামের মাঝখানে ভৈরব নদের উপরে তরুণ-তরুণীদের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হলো ৪৬ মিটার (১৫১ ফুট) দৈর্ঘ্যের বাঁশের সাঁকো। বাঁশ ও অর্থ অনুদান দিয়ে ১৫ দিনে এ সাঁকো নির্মাণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বন্ধু রক্তদান কেন্দ্র ও অ্যাকটিভ ইয়ুথ সিটিজেন সংস্থার তরুণ-তরুণীরা। এ সকল তরুণ-তরুণী একাদশ ও সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ১৬ নভেম্বর সাঁকোটি মানুষ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর ফলে নদের এ পাশে অবস্থিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ গ্রামের শিক্ষার্থীরা আসার সুবিধাভোগসহ ৫ গ্রামের মানুষ যাতায়াতের সুবিধা পেলো।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা শহর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ভৈরব নদের দক্ষিণ দিকে আঁশতলাপাড়া ও বসুতিপাড়া। নদের উত্তর দিকে বাঁকা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর, প্রতাবপুর ও রঘুনাথপুর গ্রাম। মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে ভৈরব নদ। নদের দক্ষিণ পাশে জীবননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদের উপর একটি ব্রিজ থাকলেও তা বেশ কিছুটা দূরে। স্কুলের শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসীকে স্কুল কিংবা আঁশতলাপাড়ায় আসতে প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরতে হতো। অনেকটা পথ ঘুরে আসার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থী স্কুলে আসতো না।

বন্ধু রক্তদান কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মিঠুন মাহমুদ বলেন, নিজেদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ও আর্থিক সহযোগিতায় আমরা ১৫ দিন ধরে ১৫ জন তরুণ-তরুণী এ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছি। এর ফলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হলো।

এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মোঃ আব্দুল লতিফ অমল বলেন, বন্ধু রক্তদান কেন্দ্রের এ উদ্যোগ দেখে আমি আপ্লুত। স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো হলো; কিন্তু বাঁশের সাঁকো স্থায়ী সমাধান নয়। সরকারিভাবে ওই স্থানে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনী উদ্যোগে গ্রহণ করা হচ্ছে।

ভৈরর উপজেলা শহরের আঁশতলাপাড়া-লক্ষ্মীপুর গ্রামের মাঝখানে ভৈরব নদের উপরে তরুণ-তরুণীদের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হলো ৪৬ মিটার (১৫১ ফুট) দৈর্ঘ্যের বাঁশের সাঁকো। বাঁশ ও অর্থ অনুদান দিয়ে ১৫ দিনে এ সাঁকো নির্মাণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বন্ধু রক্তদান কেন্দ্র ও অ্যাকটিভ ইয়ুথ সিটিজেন সংস্থার তরুণ-তরুণীরা। এ সকল তরুণ-তরুণী একাদশ ও সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ১৬ নভেম্বর সাঁকোটি মানুষ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর ফলে নদের এ পাশে অবস্থিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ গ্রামের শিক্ষার্থীরা আসার সুবিধাভোগসহ ৫ গ্রামের মানুষ যাতায়াতের সুবিধা পেলো।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা শহর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ভৈরব নদের দক্ষিণ দিকে আঁশতলাপাড়া ও বসুতিপাড়া। নদের উত্তর দিকে বাঁকা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর, প্রতাবপুর ও রঘুনাথপুর গ্রাম। মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে ভৈরব নদ। নদের দক্ষিণ পাশে জীবননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদের উপর একপি ব্রিজ থাকলেও তা বেশ কিছুটা দূরে। স্কুলের শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসীকে স্কুল কিংবা আঁশতলাপাড়ায় আসতে প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরতে হতো। অনেকটা পথ ঘুরে আসার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থী স্কুলে আসতো না।

বন্ধু রক্তদান কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মিঠুন মাহমুদ বলেন, নিজেদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ও আর্থিক সহযোগিতায় আমরা ১৫ দিন ধরে ১৫ জন তরুণ-তরুণী এ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছি। এর ফলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হলো।

এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মোঃ আব্দুল লতিফ অমল বলেন, বন্ধু রক্তদান কেন্দ্রের এ উদ্যোগ দেখে আমি আপ্লুত। স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো হলো; কিন্তু বাঁশের সাঁকো স্থায়ী সমাধান নয়। সরকারিভাবে ওই স্থানে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনী উদ্যোগে গ্রহণ করা হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮
আর্কাইভ
 
বেটা
ভার্সন