ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন

আওয়ামী লীগ বিএনপি ও জাপার সাত নারী প্রার্থী

প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বোচ্চ ৩৫ জন প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনে দাখিল করেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি থেকে সাতজন নারী প্রার্থী  সংসদ সদস্যপদে মনোনয়ন প্রত্যাশী। এদের মধ্যে পাঁচজন নারী প্রার্থী আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চান। ইতোমধ্যে তারা ঢাকায় দলীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কিনে পূরণের পর তা জমাও দিয়েছেন। যদিও দশম সংসদ নির্বাচনে এই আসনে দুই নারী  প্রার্থীর বেশি মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিল না।

দলীয় সূত্রে জানা যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ সরাইল-আশুগঞ্জ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩১২ সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজিলেতুন্নেছা বাপ্পী, মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জোবেদা খাতুন পারুল, সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শিউলি আজাদ, আওয়ামী লীগ নেত্রী সাদেকা বেগম, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি অ্যাডভোকেট মনিরা বেগম, বিএনপি থেকে দলের কেন্দ্রীয়সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও জাতীয় পার্টি থেকে কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট লাকী বেগম নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।

এ ব্যাপারে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ব্যারিস্টার রুমিন ফারখানা বলেন, আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি, কারণ নির্বাচন আমাদের আন্দোলনের অংশ। আমি আশা করি যে, যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে টু থার্ড মেজরিটি নয়, থ্রি ফোর্থ মেজরিটি নিয়ে আমরা ক্ষমতায় যাবো। দল থেকে নেত্রী যাকেই মনোনয়ন দেয়, আমরা তাকেই বিজয়ী করে আনতে কাজ করবো।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের  মনোনয়ন প্রত্যাশী উম্মে ফাতেমা নাজমা  বেগম (শিউলী আজাদ) বলেন, আমার স্বামী শহীদ ইকবাল আজাদ ২২ বছর এই আসনে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে আমিও আমার স্বামীর পথ ধরেই হাঁটছি। এছাড়া গত নির্বাচনে আমাকে মনোনয়নও দিয়েছিল। জোটের স্বার্থে আমি ত্যাগ স্বীকার করেছি। আশাকরি আমার এই ত্যাগ ও আমার কাজের মূল্যায়নের বিষয়টি নেত্রী বিবেচনা করবেন।