সবসময়ই এই দেখার সঙ্গী করেছি ‘ইত্যাদি’র দর্শকদের
১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ইং
সবসময়ই এই দেখার সঙ্গী করেছি ‘ইত্যাদি’র দর্শকদের
এবারের অমর একুশে বইমেলায় বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও লেখক হানিফ সংকেত-এর দুটি বই প্রকাশিত হয়েছে। গণমাধ্যমের যে অঙ্গনেই হাত দিয়েছেন এই বিশিষ্টজন সেখানেই সফলতা দেখেছেন। এবার লিখলেন ভ্রমণগদ্য। লেখালেখি প্রসঙ্গেই কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। কথা বলেছেন তানভীর তারেক

এবারের বইমেলায় প্রকাশিত বইগুলো কী কী?

একটির নাম ‘সত্ খোঁজার পথ খোঁজা’ ও অন্যটি ‘বিস্ময়ের বিশ্ব পথে’।

লেখক হানিফ সংকেতের যাত্রা শুরুর কালটা জানতে চাই—

আমি মিডিয়াতে শুরুই করেছিলাম লেখালেখি দিয়ে। ‘পূর্বদেশ’-এর চাঁদের হাট, কিশোর বাংলা, ‘ইত্তেফাক’-এর কচি-কাঁচার আসর এসব পাতায় একসময় বেশ বিচরণ ছিল। এখনো লিখছি, তবে ব্যস্ততার কারণে বইয়ের জন্য খুব একটা লেখা হয় না। দর্শকদের ভালোবাসার কারণে ‘ইত্যাদি’কে নিয়েই বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয়।

সত্ খোঁজার পথ খোঁজা বইটি সম্পর্কে বলবেন?

চারদিকে দৃশ্যমান অদ্ভুত সব অসঙ্গতি আমাদের অভিজ্ঞতাকে কখনো হাস্যরসে, কখনো বা তিক্ততায় ভরিয়ে তোলে। চলমান জীবনের সমস্যা পীড়িত এমনই নানা অসঙ্গতি এবং সমসাময়িক বিষয়, যখন যা লেখা প্রয়োজন মনে করেছি সেসব বিষয়কে উপজীব্য করেই লিখতে চেষ্টা করেছি ‘সত্ খোঁজার পথ খোঁজা’ বইটি। ২০১৬ সালের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে লেখাগুলো প্রকাশিত হয়েছে।

ভ্রমণগদ্য লিখলেন এবার। ইত্যাদিতে প্রচারিত একাধিক ভ্রমণ ডকুমেন্টারি দর্শকপ্রিয়। সেগুলোরই বিবরণ কি থাকছে এই বইতে?

কিছুটা থাকছে, কিছু একেবারেই নতুন। যা এখনো প্রচার পায়নি। আর পেশাগত কারণে, আবার কখনো বা বেড়ানোর উদ্দেশ্যে দেশে এবং দেশের বাইরে নানা জায়গায় যাওয়ার সুযোগ হয়েছে আমার। সবসময়ই আমি আমার এই দেখার সঙ্গী করেছি ‘ইত্যাদি’র দর্শকদের। কিছুটা ব্যয়বহুল হলেও কষ্ট করে সেসব দেশের উল্লেখযোগ্য স্থান এবং নৈসর্গিক দৃশ্যাবলী ধারণ করে ইত্যাদির দর্শকদের দেখাতে চেষ্টা করেছি। দু-একটি ভ্রমণকাহিনি পত্রিকাতেও লিখেছি। এসব দেখে এবং পড়ে অনেক দর্শক ও পাঠক আমাকে ভ্রমণকাহিনি লিখতে অনুপ্রাণিত করেছেন। তাদেরই অনুপ্রেরণায় লিখেছি ‘বিস্ময়ের বিশ্ব পথে’।

তরুণরা বই পড়ে না, এমন একটি কমন ধারণার প্রচার সবখানে করা হয়, এর সাথে আপনি কী একমত?

কখনোই না। কারণ তরুণরাই এখন সব থেকে বড় পাঠক। তারা লিখছেও এখন প্রচুর। আর আমি ইত্যাদির মাধ্যমে আজীবন বই পড়ানোর কাজটি করেছি, যেকোনো ক্ষেত্রে পুরস্কার হিসেবে মহামূল্যবান বই দিয়ে। এই চর্চা সমাজের সব ক্ষেত্রে করা হলে বই পড়ার চর্চাটা আরো বাড়বে। যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠানে দামি ডিনার সেটের চেয়ে ওই মূল্যের একাধিক বই আমরা দিতে পারি। তাতে শিক্ষার আলো যেমন ছড়াবে তেমনি সৃজনশীলতাও বাড়বে সমাজে।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ইং
ফজর৫:১৪
যোহর১২:১৩
আসর৪:১৮
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৬:৩০সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩
পড়ুন