মাদক মামলায় এসআই চিন্ময় কারাগারে
বরিশাল অফিস২১ জুন, ২০১৭ ইং
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সাবেক উপ-পরিদর্শক চিন্ময় মিত্রকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মাদক মামলায় গত সোমবার বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক শামীম আহম্মেদ তাকে জেল হাজাতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

আদালতের (জিআরও) এসআই শম্ভু কান্তি লাল মামলার নথির বরাত দিয়ে জানান, ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই নগরীর কাশিপুর থেকে নিধু মিস্ত্রি নামে এক ব্যক্তিকে ৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে বিমান বন্দর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিনই বিমান বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুলতান আহম্মেদ বাদী হয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে ওই মামলায় আদালতের বিচারক মোঃ রফিকুল ইসলামের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন নিধু। তিনি জবানবন্দিতে বলেন, উদ্ধার করা ফেনসিডিল বিক্রির জন্য এসআই চিন্ময় তাকে সরবরাহ করেছিল। নিধু এসআই চিন্ময়ের মাসিক বেতনভুক্ত মাদক বিক্রেতা। শুধু ফেনসিডিল নয়, এসআই চিন্ময় মিত্র দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে তা বেতনভুক্ত কর্মচারীদের মাধ্যমে বিক্রি করাতেন। বরিশাল নগরীসহ আশপাশে চিন্ময়ের নিয়োজিত বেতনভুক্তরা মাদক বিক্রি করেন বলে নিধু আদালতকে অবহিত করেন। নিধু মিস্ত্রি আদালতকে আরো জানান, বরিশাল মহানগর ডিবি পুলিশের এসআই হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এসআই চিন্ময় মিত্র মাদক ব্যবসা শুরু করেন।

২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মেট্রোপলিটন ডিবির এসআই রেজাউল ইসলাম মামলার প্রধান আসামি নিধু মিস্ত্রি, ২ নং আসামি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশে কর্মরত বরিশাল মেট্রো ডিবির সাবেক এসআই চিন্ময় মিত্র, ৩ নং আসামি মোঃ বেল্লাল, ৪ নং আসামি রুবেল হোসেন ব্যাপারী ও ৫ নং আসামি মিথুন করকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। একই বছরের ২২ ডিসেম্বর বিচারক চার্জশিট আমলে নিয়ে এসআই চিন্ময় মিত্রর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। কিন্তু ওয়ারেন্ট জারির পর থেকে তিনি নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশে কর্মরত থাকলেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেনি।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২১ জুন, ২০১৮ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পড়ুন