যুক্তরাষ্ট্র কিংবা মিত্রদের ওপর হামলা হলে কিমকে চরম মূল্য দিতে হবে : ট্রাম্প
১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
পরিস্থিতি খারাপ না করতে ট্রাম্পের প্রতি শি

ইত্তেফাক ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার উদ্দেশ্যে বাক্যবাণ অব্যাহত রেখেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর সামরিক হামলা চালানোর ব্যাপারে আবারো পিয়ংইয়ংকে সতর্ক করে দিয়েছেন। এজন্য উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনকে চরম মূল্য দিতে হবে বলেও সতর্ক করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এদিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উত্তর কোরিয়া পরিস্থিতি খারাপ না করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। অন্যদিকে কোরীয় উপদ্বীপ নিয়ে উত্তেজনায় উদ্বিগ্ন বিশ্ব নেতারা। খবর বিবিসি ও সিএনএনের।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিউই জার্সিতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, তিনি তার আগের বক্তব্যে অটল রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা খুব সতর্কতার সাথে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি। আমি আশা করছি তারা (উত্তর কোরিয়া) আমার কথার মাধ্যমে পরিস্থিতির গুরুত্ব সম্পূর্ণরূপে অনুধাবন করতে পেরেছে। আমাকে বিশ্বাস করুন, এই লোক (কিম জং উন) যা করছে, তাতে সে পার পাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো স্থানে এমনকি তার কোনো মিত্রের ওপর হামলা হলেও কিম জং উনকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে সতর্ক করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়ার ওপর আরো কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ গতকাল শনিবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করতে পারতো এবং আরো ভাল আচরণ করতে পারতো। কিন্তু সেটা যদি তারা না করে তাহলে মার্কিন সাম্রাজ্যকে তাদের দু:খজনক পরিস্থিতিতে পড়তে হবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গতকাল চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপ করেন। এই সময় প্রেসিডেন্ট শি উত্তর কোরিয়া পরিস্থিতিকে আর খারাপ না করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি আহবান জানান। তিনি কথা এবং কাজে ট্রাম্পকে আরো সংযত হওয়ার আহবান জানান। হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন একমত হয়েছে যে, উত্তর কোরিয়াকে উস্কানি দেওয়া বন্ধ করতে হবে। শি বলেন, সবাইকে সংযত হতে হবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার ওপর আরো কঠোর হতে চীনের প্রতি আহবান জানান। তিনি শি কে বলেন, চীনের বাণিজ্যের বিষয়টি তদন্ত করতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিচ্ছেন সোমবার।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, পরিস্থিতি যখন এমন দাঁড়ায় যে যেকোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটবে, তখন আমি মনে করি পরিস্থিতি শান্ত করবার প্রথম উদ্যোগটা নিতে হয় তাকে যিনি শক্তিশালী এবং চটপটে। ল্যাভরভ স্পষ্টতই এখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করছেন শান্তি স্থাপনের প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল বলেছেন, তিনি মনে করেন যে তীব্র কথার লড়াই চলছে সেটি তার দৃষ্টিতে ভুল জবাব।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
ফজর৪:১৩
যোহর১২:০৪
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৩৭
এশা৭:৫৪
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩২
পড়ুন