জিপি অ্যাক্সেলারেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরু
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ইং
জিপি অ্যাক্সেলারেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরু
গ্রামীণফোন ও এসডি এশিয়ার আয়োজনে জিপি অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামের দ্বিতীয় ব্যাচের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। গতকাল জিপি হাউজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের উপস্থিতিতে জিপি অ্যাকসেলারেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। দ্বিতীয় ব্যাচের নির্বাচিত পাঁচটি স্টার্টআপ হলো ক্র্যামস্টেক, সোশিয়ান, সি-মেড, বাজঅ্যালী ও ঘুড়ি। চার মাসব্যাপী এই প্রোগ্রামে স্টার্টআপগলোর জন্য প্রয়োজনীয় ট্রেনিং এবং মেন্টরশিপ দেয়া হয়। শুধু তাই নয়, প্রত্যেক স্টার্টআপের জন্য ১১ লাখ টাকা সিড ফান্ডিং, জিপি হাউজে অফিস স্পেস এবং নেটওয়ার্কিংসহ গ্রামীণফোনের বিভিন্ন টেকনিকাল সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ থাকছে। এই সময়ের মধ্যেই স্টার্টআপগুলো নিজেদের ব্যবসাকে আরও গুছিয়ে নিতে পারবে এবং বিজনেস মডেলকে লাভজনক করে নেয়ারও সুযোগ থাকবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ। তারানা হালিম বলেন, ‘বাংলাদেশে অনেক বেশি সংখ্যক তরুণ রয়েছে যাদের অনেক দারুণ সব স্টার্টআপ আইডিয়া রয়েছে। তাদের জন্য বলছি, বড় স্বপ্ন দেখো এবং দেশকে এগিয়ে নেও। আমরা তোমাদের সাথে আছি।’ ৫০০টিরও বেশী স্টার্টআপের মধ্য থেকে বেশ কয়েক ধাপে বাছাই করার পর সেরা পাঁচটি স্টার্টআপ নির্বাচিত হয়। এই সিলেকশন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন গ্রামীণফোন, এসডি এশিয়া এবং বিনিয়োগকারী কমিউনিটির সদস্যরা। অভিজ্ঞ মেন্টর এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা এই চার মাসব্যাপী প্রোগ্রামে স্টার্টআপদের বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করবেন। প্রোগ্রামের শেষে ডেমো ডে’তে এই স্টার্টআপগুলো বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগও পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। স্থানীয় টেক এবং ডিজিটাল ব্যবসা এবং উদ্যোক্তাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করার জন্য টেলিনরের পরিকল্পনাকেই বাস্তব করতে কাজ করে যাচ্ছে গ্রামীনফোন। তারই ধারাবাহিকতায় জিপি অ্যাক্সেলারেটরের টেক উদ্যোক্তাদের জন্য সেরা প্লাটফর্ম হতে যাচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:২৫
যোহর১১:৫৭
আসর৪:২৫
মাগরিব৬:১৪
এশা৭:২৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৩সূর্যাস্ত - ০৬:০৯
পড়ুন