কমিকস-এর কথা
শাহীন আলম১৪ জানুয়ারী, ২০১৫ ইং
বন্ধুরা, হাসতে কার না ভাল লাগে। সবাই হাসতে ভালোবাসে। মন খুলে, প্রাণ খুলে সবাই হাসতে চায়। তবে সে হাসি সৃষ্টির জন্য কিছু একটা ব্যাপার তো অবশ্যই প্রয়োজন। ধরা যাক, কেউ কৌতুক শুনে হাসে, কেউ হাসির নাটক দেখে হাসে। তবে কেউ কিছু একটা পড়েও হাসতে পারে। আর হাসির সে উপকরণটা হলো কমিকস। যা পড়ে আমরা খিল খিল করে হেসে উঠি, জমিয়ে তুলি হাসির আড্ডা।

ছোট-বড় সকলকেই হাসাতে পারে কমিকস। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা কমিকস পড়তে বেশি ভালোবাসে। অনেকে পড়ালেখার ফাঁকে, স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের সাথে কিংবা খেলার মাঠে সবাই একসাথে বসে কমিকস পড়ে থাকে। কেউ কেউ নিজেরাই কমিকস তৈরি করতে পারে।

বন্ধুরা তোমাদের সাথে আজ গল্প হবে এ কমিকস নিয়ে। কমিকস বলতেই চোখের সামনে এমন কিছু ছবি ভেসে ওঠে যাতে রেখা বা রঙকে একটু ভেঙে কিম্ভূত করা হয়। যা দেখলেই হাসি পায়। কিম্ভূত সে ছবি দ্বারা একটা কিছু ফুটিয়ে তোলা হয়। পর পর ছবিগুলোর মধ্যে একটা গল্প ফুটে ওঠে। প্রতিটি ছবিতে গল্পের কথা পড়তে হয়। গল্পের কথার সাথে কিম্ভূত সে ছবিগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে থাকে। অর্থাত্ কমিক স্ট্রিপে পরপর ছবি সাজিয়ে গল্পকে এমনভাবে তুলে ধরা হয় যা ফিল্মের মতো চোখের সামনে দেখা যায়। কমিকস পড়ে হেসে ওঠার পেছনে লেখা ও ছবি দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। গল্প বা ঘটনার চরিত্রগুলো পর পর ছবিতে একই রঙ দিয়েও একইভাবে এঁকে বোঝানো হয়ে থাকে। ছবিগুলোর বিশেষ কোনো অংশ ইচ্ছে করে কিম্ভূত করা হয়। এতে চেহারাকে অনেক বাড়িয়ে বা কমিয়ে উপস্থাপন করা হয় এটা হলো ক্যারিকেচার।

লুইস ক্যারলের লেখা, ‘এ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’ এবং সুকুমার রায়ের ‘হযবরল’ এদের পাতায় শুধু ক্যারিকেচার সৃষ্টি করা হয়েছে। কমিকসে যে ছবিগুলো আঁকা হয় একে কার্টুনও বলে। তবে কার্টুন, কমিক, ক্যারিকেচার এক নয়। বর্তমানে চিত্রশিল্পীরা একের পর এক তাদের কার্টুন আঁকতে থাকেন। কার্টুনও হাসির যোগান দেয়। আর সে কার্টুনের পাশে লেখা থাকলেই হয়ে যায় কমিকস। লেখা দ্বারা গল্পের কথা সহজেই বোঝা যায় এবং হাসতে হাসতে লুটিয়ে পড়া যায়।

বন্ধুরা তোমরা কমিকস পড়ে ইচ্ছেমতো হাসতে পারো এবং কমিকস লিখতে পারো।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৪ জানুয়ারী, ২০১৮ ইং
ফজর৫:২৩
যোহর১২:০৮
আসর৩:৫৭
মাগরিব৫:৩৫
এশা৬:৫২
সূর্যোদয় - ৬:৪২সূর্যাস্ত - ০৫:৩০
পড়ুন