বান্দরবানে পাহাড় ধসে ভাই-বোনের প্রাণহানি
টেকনাফে শতাধিক পরিবারকে অপসারণ
বান্দরবানে পাহাড় ধসে ভাই-বোনের প্রাণহানি
বান্দরবানের বনরুপাড়া এলাকায় আকস্মিক পাহাড় ধসে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় নিহত দুই শিশুর মা-বাবাসহ আরো ৩ জন আহত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পাঁচদিনের টানা বর্ষণে জেলা সদরের বনরুপাড়ায় পাহাড় ধসে স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র আলীফ (১২) ও কন্যা মিম সুলতানার (৮) মৃত্যু হয়েছে। আব্দুর রাজ্জাক, তার স্ত্রী আয়েশা বেগম এবং পার্শ্ববর্তী শাহ আলম এতে আহত হন।

খবর পেয়ে দমকল বাহিনী ও স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে মাটির নীচ থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয় অধিবাসী মুসলিম উদ্দিন বলেন, ভোররাতে বিকট শব্দে পাহাড় ধসে রাজ্জাকের টিনের ঘরটি ভেঙ্গে পড়ে। তার দুই শিশুসন্তান এসময় খাটের ওপরে ঘুমিয়ে ছিল। ঘটনার সময় বাড়িতে পরিবারের ৫ সদস্য অবস্থান করছিল। প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি জানান, কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ের পাদদেশে অতি ঝুঁকিতে বসবাসকারী ১২০ পরিবারকে সরিয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ অভিযান চালানো হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত পাঁচদিনের ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় পৌরসভার ফকিরামুরা এলাকার উপজেলা প্রশাসন, বনবিভাগ এবং স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে মাইকিংয়ের মাধ্যমে সতর্ক ও সরিয়ে যেতে বলা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদ ইকবাল জানান, অভিযানে পাহাড়ের পাদদেশে অতি ঝুঁকিতে বসবাসকারী ১২০ পরিবারকে নিরাপদে সরিয়ে দেয়া হয়। পাশাপাশি ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের ঘটনা এড়াতে আরও দুই শতাধিক পরিবারকে নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। সরিয়ে দেয়া পরিবারগুলোকে নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা নেয়া হলেও তারা নিজ নিজ আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে চলে গেছে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ জুন, ২০১৭ ইং
ফজর৩:৪৫
যোহর১২:০২
আসর৪:৪২
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৭
সূর্যোদয় - ৫:১৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭
পড়ুন