কমলগঞ্জে তিনটি সড়ক বেহাল দুর্ঘটনার আশঙ্কা
কমলগঞ্জে তিনটি সড়ক বেহাল দুর্ঘটনার আশঙ্কা
সড়ক ও জনপথ বিভাগের মৌলভীবাজার-শমশেরনগর-চাতলাপুর ও শমশেরনগর-বিমান বন্দর সড়ক এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর পৌর এলাকার ভানুগাছ-মাধবপুর সড়কে বেহাল দশা। তিনটি সড়কেই বড় বড় খানাখন্দ ও পানি জমে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। গর্তে পড়ে যানবাহনে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তিনটি সড়কেই লোক চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এসব সড়কে অসংখ্য খানাখন্দে জমে থাকা ময়লা পানিতে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

কুলাউড়ার চাতলাপুর চেকপোস্ট থেকে শমশেরনগর হয়ে মৌলভীবাজার জেলা সদর পর্যন্ত প্রায় ৩৫ কি.মি. সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কটি যাতায়াত ও মালামাল পরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট। বর্তমানে চলাচলের ক্ষেত্রে সড়কটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। জেলা সদরের সঙ্গে সংযোগ রক্ষাকারী অন্যতম এ সড়ক দিয়ে কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ যাতায়াত করছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি বেহাল দশায় পরিণত হওয়ায় কয়েক লক্ষাধিক মানুষ পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ।

চাতলা শুল্ক স্থল বন্দর ভারতের উত্তর ত্রিপুরায় পণ্য ও মালামাল আমদানি রপ্তানি ছাড়াও এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও সাধারণ মানুষ মৌলভীবাজার জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকেন। দীর্ঘদিন যাবত সড়কটি সংস্কার না করায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর থেকে মৌলভীবাজার জেলা সদরের ২০ কিলোমিটার সড়কের অধিকাংশই খানাখন্দে ভরপুর। সড়কের পিচঢালা উঠে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের এই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।     

শমশেরনগর-মৌলভীবাজার সড়কে চলাচলকারী যাত্রী মাহবুব চৌধুরী, প্রীতম কুমার দাশ, কলেজ ছাত্রী তামান্না আক্তার, ব্যবসায়ী আশরাফ হোসেন, মোটরসাইকেল আরোহী জয়নাল আবেদীন জানান, এই সড়কটির পিচ উঠে বড় বড় খানাখন্দে রূপ নিয়েছে। সিএনজি অটোরিক্সায় চলাচল করলে শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা লাগে।

স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের কমলগঞ্জ পৌরসভা কার্যালয়ের অদূরে ভানুগাছ-মাধবপুর সড়কের প্রবেশ পথে এক হাজার গজের মধ্যে রাস্তা ভেঙে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমদ বলেন, গত দেড় বছরে তিনি পৌরসভার তহবিল থেকে চার বার খানাখন্দ ভরাট করে সংস্কার করেন। এ পথে অত্যধিকহারে যানবাহন চলাচল করায় সড়কটি আবারো ভেঙে খানাখন্দের সৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ বেড়েছে।

কমলগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী কিরণ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ইতোমধ্যেই ভানুগাছ চৌমুহনী থেকে মাধবপুর বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ সাত কি.মি. পথ উন্নয়নে পাঁচ কোটি ২৫ লাখ টাকার টেন্ডার হয়েছে। ঢাকার ডলি এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারী কোম্পানি টেন্ডার পেলেও এখন পর্যন্ত কাজের অনুমতি পায়নি। সড়ক ও জনপথের মৌলভীবাজার এর নির্বাহী প্রকৌশলী মিন্টু রঞ্জন দেবনাথ বলেন, বরাদ্দ আসা মাত্রই শমশেরনগর-মৌলভীবাজার সড়কটির সংস্কার কাজ করা হবে। তবে আপাতত কিছু ইট- বালি দিয়ে গর্ত ভরাট করে দেওয়া হচ্ছে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
ফজর৪:১৩
যোহর১২:০৪
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৩৭
এশা৭:৫৪
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩২
পড়ুন