ছোট্ট আইনস্টাইন!
প্রজন্ম ডেস্ক২৫ জুলাই, ২০১৬ ইং
ছোট্ট আইনস্টাইন!
 

একই সঙ্গে নিষ্পাপ ও বিস্ময়কর খবরের জন্ম দেওয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা বোধহয় প্রকৃতি শুধু শিশুদেরই দেয়। একটা চার বছর বয়সী শিশুর সর্বোচ্চ কী করার আছে—খেলনার জন্য নাছোড়বান্দা আবদার অথবা কোনো ছেলেমানুষি বিষয়ের প্রতি অনুরাগ! তার বদলে যদি শোনেন, সেই চার বছর বয়সেই কোনো শিশু ইংরেজি, জ্যামিতি, অ্যালজেবরা এবং রসায়নে সমান পারদর্শী; তাহলে? ভাবছেন তা কীভাবে হয়?  হ্যাঁ, সত্যি সত্যিই এই বিস্ময় বালকের নাম সুবর্ণ আইজ্যাক। তবে এখনো স্কুলের বারান্দায়ও পা রাখেনি সে। তার আগেই স্কুলের সকল বিষয়ে নিজের পারদর্শিতা সমানভাবে প্রকাশ করেছে। ভবিষ্যতে আইনস্টাইন হতে চাইলেও, তার নামের মিল কিন্তু বিজ্ঞানী নিউটনের সঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি রাশেদুল বারি ও শাহেদা বারির সন্তান সে।

নামের মিল আইজাক নিউটনের সঙ্গে থাকলেও তার প্রতিভার মিল অনেকটাই আইনস্টাইনের সঙ্গে। যদিও বলা হয়ে থাকে চার বছর পর্যন্ত আইনস্টাইন নাকি কথাই বলেননি। সে তুলনায় ছোট্ট সুবর্ণ এগিয়ে আছে। চার বছর বয়সে সুবর্ণ আবিষ্কার করেছে কীভাবে লিয়ন ব্যাটারির সাহায্যে বিদ্যুত্ উত্পাদন করা যায়। এ দেখে বিস্মিত হয় খোদ দ্য সিটি কলেজ অব নিউইয়র্কের প্রেসিডেন্ট লিসা কইসো। তিনি নিজেই এই শিশুর পরীক্ষা নেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি অনলাইন টেলিভিশন টাইম টেলিভিশনে তার একটি সাক্ষাত্কার প্রচার হয়। এই সাক্ষাত্কারে দেখা যায়, বিস্ময় বালক কলমকে একটি লাঠির মতো ধরে সমাধান করে যাচ্ছে একের পর এক কঠিন গণিত, জ্যামিতি, পদার্থ বিজ্ঞানের সমস্যা। রাসায়নিক সংকেতগুলো কোনো ভুল না করেই অনর্গল বলে যায়।

বিস্ময় বালকের মা শাহেদা বারি বলেন, ‘আমাদের সন্তানের মেধার জন্য আমরা গর্বিত। আমাদের সন্তান ভবিষ্যত্ আইনস্টাইন।’ তার এই বিস্ময়কর প্রতিভার প্রকাশ পায় তার ভাই যখন তাকে পড়ানো শুরু করে তখন। সুবর্ণের প্রতিভা নিয়ে বেশ গর্বিত তার বড় ভাই। এমন তুখোড় মেধা একসময় বাংলাদেশকে অনেকদূর নিয়ে যাবে বলে মনে করেন তার অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দ।  

 

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৫ জুলাই, ২০১৮ ইং
ফজর৪:০০
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৮
এশা৮:০৯
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:৪৩
পড়ুন