ঢাকায় আনন্দ চিত্তের ‘বার্মি-আর্মি’
আল-মামুন৩০ অক্টোবর, ২০১৬ ইং
ঢাকায় আনন্দ চিত্তের ‘বার্মি-আর্মি’
ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের স্বীকৃত সমর্থক গোষ্ঠী বার্মি-আর্মি প্রথমে বাংলাদেশে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরে সিদ্ধান্ত বদলে ঢাকায় এলেও সংখ্যায় বেশি নয় তারা। তবে যে জনা পঞ্চাশেক ইংল্যান্ড সমর্থক এসেছেন তারা কোনো নিরাপত্তার অভাব দেখছেন না বলেই জানিয়েছেন।

চট্টগ্রামের পর ঢাকার মিরপুর স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারি, শহীদ মুস্তাক স্ট্যান্ডে দেখা গেছে ইংলিশ সমর্থকদের সরব উপস্থিতি। টেস্ট ক্রিকেট দেখতে ঢাকায় উড়ে আসা এ সমর্থকরা আনন্দচিত্তেই বাংলাদেশ ভ্রমণ করছেন। তারা জানিয়েছেন, বার্মি-আর্মির না আসাটা বাংলাদেশের জন্য ক্ষতি নয়। গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে তাদের কয়েকজনের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। 

বার্মি-আর্মির পিছু হটা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির ভয়কে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন পাস উইক, স্টুয়ার্ট কেম্প ও গ্রায়েমের মতো অনেকে। ইংল্যান্ডের লেস্টার সিটির মিডল্যান্ড অঞ্চলে জন্ম পাস উইকের। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট দেখতে ঢাকায় এসেছেন তিনি। বাংলাদেশ ভ্রমণটা উপভোগ করছেন পাস উইক। তিনি বলেন, ‘এখানে এসে অবশ্যই অনেক ভালো লাগছে। বাংলাদেশে দারুণ উপভোগ করছি। এখানকার মানুষ অনেক ভালো।’

বার্মি-আর্মিদের বাংলাদেশে না আসার বিষয়ে পাস উইক বলেন, ‘এটা তাদের সিদ্ধান্ত। তবে এটা বার্মি-আর্মির ক্ষতি, বাংলাদেশের নয়।’  টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স দেখে মোটেও অবাক হননি পাস উইক। তার আশা আগামীতে বড় দলগুলোকেও হারাবে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, ‘আমার দেখায় বাংলাদেশ দল হিসেবে অনেক উন্নতি করেছে। তাদের আরো অনেক দূর যেতে হবে। আমি নিশ্চিত ভবিষ্যতে তারা বড় বড় টেস্ট দলগুলোকেও হারাবে।’ 

বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে সন্তুষ্ট এই ইংলিশম্যান। নিরাপত্তা প্রশ্নে পাস উইক বলেন, ‘সব দেশেই সমস্যা আছে। আমি বাংলাদেশে নিরাপত্তার অভাববোধ করিনি। যে কোনো প্রয়োজনে আমি আবার এখানে আসবো।’ 

ম্যানচেস্টার থেকে এসেছেন স্টুয়ার্ট কেম্প। চট্টগ্রাম টেস্টটাও দেখেছেন তিনি। চট্টগ্রাম থেকে এসেছেন ঢাকায়। বাংলাদেশের মানুষ আন্তরিক জানিয়ে কেম্প বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দারুণ উপভোগ করছি। চট্টগ্রামেও ভালো সময় কেটেছে। ঢাকার মতো সেখানেও কিছু বন্ধুবত্সল মানুষ পেয়েছি। সবাই আমাদের খেয়াল রাখছে। আমাদের জন্য খুব ভালো জায়গা।’

এই সিরিজে বাংলাদেশ দারুণ লড়াই করছে। প্রথমবার বাংলাদেশে আসা কেম্প জানালেন, ‘বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজে দেখিয়েছে, তারা কি করতে পারে। সিরিজটা তারাই জিততে পারতো, প্রথম টেস্টটা খুব ক্লোজ ছিলো। মিরপুর টেস্টও আমার মনে হয় খুব ক্লোজ হবে।’ দীর্ঘকায় শরীরের অধিকারী  কেম্পের মতে এই সিরিজে দুই দলের শক্তিমত্তার ব্যবধান কমে এসেছে।  তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দলের উন্নতি দেখে খুব ভালো লাগছে। আগে বাংলাদেশ দলের সাথে একপেশে খেলা হতো, এখন খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। ইংল্যান্ডের সাথে খেলায় পার্থক্য কমে  আসছে।’

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:৪৭
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৪
মাগরিব৫:২৪
এশা৬:৩৮
সূর্যোদয় - ৬:০৪সূর্যাস্ত - ০৫:১৯
পড়ুন