কন্ডিশনই চ্যালেঞ্জ বলছেন সভাপতি
১৮ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
কন্ডিশনই চ্যালেঞ্জ  বলছেন সভাপতি
g  স্পোর্টস রিপোর্টার

এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরটাকে বাংলাদেশ ‘পরের ধাপে’ যাওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছিলো।

সফরের অনেক আগে থেকেই টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে বারবার বলা হচ্ছিলো যে, এখান থেকেই বাংলাদেশের বাইরের দেশে ভালো ক্রিকেট খেলা শুরু করতে চাই। কিন্তু বাস্তবে একেবারেই উল্টো পথে চলছে এখন পর্যন্ত সব। আজ দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে বাংলাদেশকে নামতে হবে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে।

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। টেস্ট থেকে শুরু করে প্রতিটা ম্যাচের মতোই দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী জুটির কাছেই পরাস্ত হয়েছে সফরকারীরা। এই অবস্থায় পরের ধাপে যাওয়ার চেয়ে নিজেদের সম্মান ধরে রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়েছে।

অবশ্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এমনি মনে করছেন, এই পারফরম্যান্স খুব অস্বাভাবিক নয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় কোনো দলই সফরে গিয়ে খুব ভালো কিছু করে না। সেই ব্যাপারটা সামনে এনে গতকাল বোর্ড সভাপতি বলছিলেন, ‘আসলে দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে আমরা অনেক পিছিয়ে। সব দলের অবস্থাই ওখানে খারাপ। এখন দল ফিরে আসুক তারপর ওদের সাথে বসবো।’ মাঠের এই পারফরম্যান্সের সঙ্গে যোগ হয়েছে দলের ভেতর মনোমালিন্য বিষয়ক গুঞ্জন। সে ব্যাপারে বোর্ড সভাপতি বলছিলেন, ‘মুশফিক, মাশরাফি, সাকিব, তামিমের সাথে কথা হয়েছে। ওরা তো কিছুই বলেনি। কোচের সাথে সমস্যা হচ্ছে কিনা।’ বাংলাদেশের এখন আরেকটা দুশ্চিন্তা হচ্ছে ইনজুরি। তামিম, সৌম্য, মুস্তাফিজ, মুশফিক; ইনজুরির তালিকাটা ক্রমেই লম্বা হচ্ছে। বোর্ড সভাপতি বলছেন, এখানে ফিটনেসটা একটা ভূমিকা রাখছে, ‘ফিটনেস একটা বড় বিষয়। নিউজিল্যান্ডে গিয়ে অনেকে ইনজুরিতে পড়েছিল। এবার দক্ষিণ আফ্রিকায়ও তাই। টানা খেলা। খেলোয়াড়দেরও বিরতি প্রয়োজন। তাই আলাদা বিকল্প খেলোয়াড় তৈরি করতে হবে। টেস্ট, ওয়ানডে, টি-২০ দুই ফরম্যাটেই। না হয় ২০১৯-এর পর সমস্যায় পড়বো।’

বোর্ড সভাপতি মনে করেন সিরিজগুলোর মাঝের বিরতির সময়টাতে ট্রেনিং চালু না থাকায় এ বিভ্রাট বেশি তৈরি হচ্ছে। তিনি পরিকল্পনা করছেন যে, মাঝের এই সময়গুলোও কাজে লাগাতে হবে, ‘সিরিজ শেষ হয়, কোচরা চলে যায় ছুটিতে। সিরিজের আগে আসে। তখন তো নির্দিষ্ট সিরিজ নিয়ে কাজ হয়। এর মাঝে ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করার প্ল্যান করছি। সারা বছর যাতে ট্রেনিংয়ে রাখা যায়। পেস বোলারদেরও আলাদা ট্রেনিং। কোচরা না থাকলে বাইরে থেকে আরো কোচ আনতে হবে।’ একই সঙ্গে পাপন বলছেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় এই পারফরম্যান্সের জন্য তাদেরও কিছুটা দায় আছে। তারা বোর্ড পরিচালকরা কেউ খেলোয়াড়দের সঙ্গে থাকতে না পারাটা একটা প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি। ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলা কঠিন। আমার মনে হয় শুরুতে রক্ষণাত্মক ছিল। এর জন্য আমরাও দায়ী। আমরা কেউ যাইনি। সুজন গিয়েছিল আবার চলে এসেছে। এজিএম, মামলা এখন নির্বাচন।’

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৮ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:৪১
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫২
মাগরিব৫:৩৪
এশা৬:৪৫
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৯
পড়ুন