স্বপ্ন এবার র্যাংকিংয়ের পাঁচে উঠা
স্পোর্টস রিপোর্টার১৮ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
স্বপ্ন এবার র্যাংকিংয়ের পাঁচে উঠা

চার বছরের মেয়াদ শেষে পাপন

সাফল্য-ব্যর্থতার গল্প দিয়েই চার বছরের মেয়াদ পার করলো নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ। ২০১৩ সালের অক্টোবরে নির্বাচনে জিতে বিসিবির মসনদে বসেছিল এই কমিটি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের শুরুতেই আবারো চার বছরের জন্য বিসিবি পরিচালনায় আসছেন একই সংগঠকরা। গতকাল মেয়াদের শেষ দিনে বিসিবি সভাপতি জানিয়েছেন নিজের অনাগত স্বপ্নের কথা। শুনিয়েছেন গত মেয়াদের সাফল্যের ফিরিস্তি।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল সন্ধ্যায় নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, গত মেয়াদে দুটি স্বপ্ন পূরণ হয়নি। আগামীতে স্বপ্নগুলো পূরণ করতে চান তিনি। প্রথম হলো, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়ানডেতে বাংলাদেশ দলকে র্যাংকিংয়ের পাঁচে দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা পূরণ হয়নি। ভবিষ্যতে তা পূরণ করতে আশাবাদী তিনি।

দ্বিতীয়ত, গত চার বছরে আঞ্চলিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গঠন করতে পারেনি বিসিবি। আগামী এক বছরের মধ্যেই যা গঠন করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, ‘র্যাংকিংয়ের একটা স্বপ্ন তো রয়েই গেল। আমার ইচ্ছা ছিল পাঁচে যাব।  বলেছিলামও আপনাদের। পাঁচ হয়নি, পাঁচ হওয়া উচিত ছিল।  না হওয়ার কোনো কারণ দেখি না। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম আমরা পাঁচে উঠে যাব। সামনে এটাই হবে চ্যালেঞ্জ পাঁচের মধ্যে চলে আসা প্রথম ধাপে।’

নাজমুল হাসান পাপন আরো বলেন, ‘আঞ্চলিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গঠন করতে পারিনি। আগামীতে সুযোগ আসলে, প্রথম বছরেই এটি করতে চাই।’

গত মেয়াদে নিজেদের কঠিন কাজগুলো সম্পর্কে বিসিবি সভাপতি বলেছেন, বাংলাদেশে অনেক প্রতিভা আছে আমি মনে করি। সেই প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খেলানো, টিম ওয়ার্কের অভাব ছিল, সেটা তৈরি করা, শৃঙ্খলা এবং পেশাদারিত্বের মধ্যে একটা সিস্টেমে আনা কঠিন কাজ ছিল।

২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল রাজনৈতিক কারণে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সেই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা। আইসিসি টেস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয়ার প্রক্রিয়া করছিল। তখন বাংলাদেশের পারফরম্যান্সও ভালো ছিল না। সেটা সমাধান করা। নিরাপত্তা ইস্যুকে গুরুত্ব দিয়ে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডকে বাংলাদেশ সফরে আনাকে বড় কঠিন কাজ বলে উল্লেখ করেছেন বিসিবি সভাপতি। 

দল হিসেবে বাংলাদেশ ভালোও করেছে, খারাপও করেছে। নাজমুল হাসান পাপনের মতে, সাফল্যই বেশি। ২০১৫ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমিফাইনালে খেলার কথা বলেছেন বিসিবি সভাপতি। তবে বড় অর্জন হিসেবে তিনি বলেছেন, ২০১৫ সালে দেশের মাটিতে পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে ওয়ানডে সিরিজ হারানোকে।

তিনি বলেন, ‘প্রথমবার পাকিস্তানের সাথে সিরিজ জিতেছি। এটা তো একটা বিরাট ব্যাপার। ভারত, সাউথ আফ্রিকার সাথে সিরিজ জিতেছি। এটা তো অকল্পনীয় ছিল আগে, যে আমরা সিরিজ জিতবো, হঠাত্ একটা ম্যাচ জিততাম কিন্তু কখনো সিরিজ জিতিনি। এটা বড় অর্জন।’

বিসিবি সভাপতি টেস্ট ক্রিকেটের সফলতার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘টেস্টে আমরা এখনো পিছিয়ে আছি। তারপরও আমরা ইংল্যান্ডের সাথে একটা টেস্ট জেতা, সিরিজ ১-১ ড্র করা। অস্ট্রেলিয়ার সাথে ১-১ ড্র করা ও একটা ম্যাচ জেতা, শ্রীলঙ্কায় গিয়ে একটা জেতা, সিরিজ ড্র করা। ভালো হয়েছে। কিন্তু এখনও অনেক দূর যাওয়া বাকি।’

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৮ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:৪১
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫২
মাগরিব৫:৩৪
এশা৬:৪৫
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৯
পড়ুন