উন্মত্ত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং
উন্মত্ত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা
মুহা. রুহুল আমীন

স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ফ্রান্সিস ফুকুইয়ামাসহ বিশ্বব্যবস্থার তাত্ত্বিকগণ একমেরু বিশ্বব্যবস্থার যে জয়গান গেয়েছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যের যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, তা আস্তে আস্তে ভুল প্রমাণিত হয়েছে। স্নায়ুযুদ্ধোত্তরকালে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যবাদ এমন উন্মত্ত হয়ে উঠেছিল যে, আফ্রো-এশিয়া, ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা, দক্ষিণ-এশিয়া ও দূরপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যরা অত্যন্ত উদ্ধত আচরণ শুরু করেছিল। আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া আক্রমণ করে দেশটি এক ফুত্কারে ঐ জনপদগুলো নিশ্চিহ্ন করে, সেখানকার জাতীয়তাবাদী নেতাদের খুন করে যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যবাদ চিরস্থায়ী করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল। কিন্তু অচিরেই তাদের সে বৈশ্বিক মহাপরিকল্পনা ব্যর্থ হতে শুরু করে।

বিশ্ব এখন স্নায়ুযুদ্ধোত্তর বহুমেরু ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্বের প্রতিটি অঞ্চলে আঞ্চলিক বৃহত্শক্তির উদয় হয়েছে। ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিচারে সে শক্তিগুলো যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন, তাদের নৈতিক ও মূল্যবোধ-তাড়িত শক্তি দ্বারা তারা এত বেশি আস্থাবান হয়ে উঠেছে যে, তারা স্নায়ুযুদ্ধকালীন পরাশক্তিকে হুমকি দিচ্ছে, পরাস্ত করছে এবং স্নায়ুচাপে রাখছে।

দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক শক্তিদ্বয় ভারত ও পাকিস্তান একসময় দু’পরাশক্তির লেজুড়বৃত্তি করেছে। ভারত তার বিশ্বপ্রভু পরিবর্তন করে আমেরিকার সঙ্গে নয়া-মিতালি করেছে। আর পাকিস্তান তার পূর্ব-মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দর কষাকষির ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে। পূর্ব এশিয়া ও দূরপ্রাচ্যে চীন পৃথিবীর নতুন পরাশক্তি হিসেবে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকছে। চীনের অর্থনীতি সবাইকে ছাড়িয়ে বিশ্বের শীর্ষ অর্থনৈতিক পরাশক্তির মর্যাদায় অভিষিক্ত হতে চলেছে। মধপ্রাচ্যে স্নায়ুযুদ্ধোত্তর একক পরাশক্তি আমেরিকার আধিপত্য চ্যালেঞ্জ করে পারস্য-গৌরব বিচ্ছুরিত করে ইরান মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। ন্যাটো সদস্য ও ইউরোপীয় দেশ তুরস্ক স্বাধীন-স্বকীয় সত্তা নিয়ে ইউরোপীয় ব্যবস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক আধিপত্য নস্যাত্ করতে হুঙ্কার ছুড়ছে। আফ্রিকার সুদান, সোমালিয়া, দারফুরে একক আধিপত্য বজায়ে যুক্তরাষ্ট্রের জবর-দখল নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে সেই নির্যাতিত জনপদের জাতীয়তাবাদী বীর যোদ্ধারা। লাতিন আমেরিকার সদাজাগ্রত বিপ্লবীরা ক্যাস্ত্রো ও গুয়েভারার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অত্রাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ঘন্টা বাজিয়ে চলেছে অনেক আগে থেকে। উত্তর কোরিয়ার তরুণ নেতা দেশটিকে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে।

একবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই বহু মেরু ব্যবস্থার যে ভবিষ্যদ্বাণী বিশ্ব-তাত্ত্বিকগণ উপস্থাপিত করেছিলেন তা আজ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নানা দিক বিশ্লেষণে প্রায়োগিক বাস্তবতায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। বৈশ্বিক আধিপত্য বিস্তারে যুক্তরাষ্ট্রের নিরন্তর প্রচেষ্টা রাশিয়া এবং চীনের দ্বারা নিয়ত বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পেন্টাগণ সামরিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে নজিরবিহীনভাবে বাজেট বৃদ্ধির আবেদন করেছে। চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাজেট ৬১২ বিলিয়ন ডলারের বিপরীতে ২০১৯ সালের বাজেটে ৬৮৬ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখতে পেন্টাগণ কংগ্রেসকে অনুরোধ জানিয়েছে। পেন্টাগণ প্রধান জিস ম্যাটিস সতর্ক করেন যে, বিশ্ব এখন বৃহত্ শক্তিসমূহের উন্মত্ত প্রতিযোগিতার নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বহুমুখী হুমকি মোকাবিলায় সামরিক বাহিনী, অস্ত্রশস্ত্র, সামরিক জাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা শক্তিশালী করে যুক্তরাষ্ট্র বহু মেরু বিশ্বব্যবস্থায় টিকে থাকার নতুন কৌশল অবলম্বন করছে।

দক্ষিণ এশিয়া নিয়ন্ত্রণে আফগান যুদ্ধ শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সেখানে আশানুরূপ ফল লাভ করেনি। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতের সঙ্গে নয়া মিত্রতা করে পুরাতন মিত্র পাকিস্তানের সাহায্য বন্ধের হুমকি দিলে পাকিস্তানের কাছ থেকে পাল্টা হুমকি পেয়ে শেষ পর্যন্ত দেশটি পাকিস্তানের প্রতি সুর নরম করতে বাধ্য হয়েছে।

ইউক্রেন ইস্যুকে কেন্দ্র করে অত্রাঞ্চলে সৈন্য সমাবেশ করলেও পুতিনের কঠোর নীতির কারণে শেষ পর্যন্ত এ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার দুর্বলতা প্রকাশ হয়ে পড়েছে। ইউরোপের সীমানায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারে ইরানকে কাবু করার পরিকল্পনাও ভেস্তে গেছে। পঞ্চশক্তি+এক রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি বৈধ করে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে দেশটি তার বৈশ্বিক মর্যাদা বিশ্বময় প্রচার করতে সক্ষম হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শত চেষ্টা করেও ইরানকে আর দুর্বল অবস্থায় রাখতে পারছেন না। সৌদি আরবের মাধ্যমে আরব শেখ-রাজদের ইরানের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে, হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ছলে ইয়েমেনকে ধ্বংস করে, সাদ্দামকে উত্খাত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ফাঁদে ইরাক দখল করে, এবং সর্বোপরি সিরিয়ার সন্ত্রাসীদের ধ্বংসের ছদ্মাবরণে জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্টকে উত্খাত করার নীলনকশা বাস্তবায়নের ব্যর্থ চেষ্টা করে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র তার বৈশ্বিক মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছে। এর সুযোগে স্নায়ুযুদ্ধকালীন প্রতিপক্ষের উত্তরসূরি রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্য এবং উপসাগরীয় এলাকাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভুত্বমুক্ত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং ইতোমধ্যে সফলও হয়েছে।

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে লাখ লাখ সাধারণ মানুষকে শরণার্থীর নরকযন্ত্রণা দিয়ে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। প্রচার করা হয়েছে একনায়ক বাদশাহ এবং সন্ত্রাসীদের কবল থেকে সিরিয়াকে মুক্ত করা হবে। সন্ত্রাসীরা এখন পর্যুদস্ত। তাহলে সিরিয়ার যুদ্ধ থামছে না কেন? সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র প্রক্সিযুদ্ধের অন্তত দুটি ফ্রন্ট খুলেছে। প্রথমটি হলো তুরস্কের কাছে সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচিত তুর্কি বিদ্রোহীদেরকে (ওয়াইপিজি) সেখানকার আইএস বিদ্রোহীদের হটাতে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করছে। ফলে তুরস্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের লড়াই শুরু হয়েছে। তুরস্ক হুমকি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নিতে হবে তারা ন্যাটো সদস্যের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে নাকি সম্পর্ক ভেঙে ফেলবে। সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্সি-যুদ্ধের দ্বিতীয় ফ্রন্টটি খোলা হয়েছে ইসরাইলের মাধ্যমে। সম্প্রতি ইসরাইল সিরিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে বিমান হামলা শুরু করেছে। সিরিয়া থেকে পাঠানো ইরানের একটি ড্রোন ইসরাইলের সীমানায় ঢুকে পড়েছে এমন অভিযোগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি সিরিয়ায় বিমান হামলা করেছে ইসরাইল। ভবিষ্যতে ‘নিষ্ঠুর জবাব’ দেওয়ার হুমকি দেয় ইরান এবং রাশিয়াও সিরিয়ায় যেকোনো ইসরাইলি হামলার ব্যাপারে নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ইসরাইলের একটি উন্নতমানের যুদ্ধজাহাজ এফ-১৬কে ভূপাতিত করে সিরিয়ার বিমানবাহিনী। ভবিষ্যতে সিরিয়ায় কোনো হামলা চালালে এমন জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইমান সুসান।

মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য বিস্তারে যুক্তরাষ্ট্রের মূল অস্ত্র ছিল ফিলিস্তিন-ইসরাইল বিরোধ। কিন্তু গত বছর জেরুজালেমে ইসরাইলের রাজধানী স্থানান্তরের স্বীকৃতি দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্য সমস্যা সমাধানের দূতিয়ালির কেন্দ্র-মণি যুক্তরাষ্ট্র এখন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস দ্বারা প্রত্যাখ্যাত। তিনি গত ১২ তারিখে মস্কো গিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনকে জানিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্য সমস্যা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা মানবে না ফিলিস্তিনিরা। স্পষ্টত, যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে ইসরাইল, ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানে ফিলিস্তিনিরা রাশিয়ার পুতিনকে মধ্যস্থতায় পাশে পেতে চায়।

পূর্ব এশিয়া, দূরপ্রাচ্য, প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভুত্ব বিস্তারে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানকে মিত্রবন্ধনে রাখা সম্ভব হয়েছে উত্তর কোরিয়ার কারণে। কিন্তু সম্প্রতি দু’কোরিয়ার পুনর্মিলন প্রক্রিয়ার পূর্বাভাসের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সে পরিকল্পনা ব্যর্থ হবে বলে অনেক বিশ্লেষকের ধারণা। এমনকি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র এখন অনেক আশাবাদী হয়ে উঠেছে। একবার সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে রাশিয়া ও চীনের আঞ্চলিক প্রভাব বৃদ্ধি পাবে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে সেখানকার প্রভুত্ব হ্রাস মেনে নিতে হবে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থার উপর্যুক্ত বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক একাধিপত্য বিস্তারের নীল নকশার পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। বৈশ্বিক আধিপত্যের পরিবর্তে বৈশ্বিক নেতৃত্বদানের গ্রহণযোগ্যতা তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্রকে নিরন্তর নীতি-নির্ধারণ করতে হবে। একসময় যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নেতৃত্বকে অপরাপর বিশ্ব সম্মান করত। কিন্তু অধুনালুপ্ত সে বৈশ্বিক ইমেজ যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথিবীতে অগ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। সাম্য, স্বাধীনতা, মুক্ততা, অধিকার প্রভৃতি মূলনীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত বহু-সংস্কৃতির লালনকেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রের সামনে বহু মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার নেতৃত্বদানের বিরল সম্ভাবনা রয়েছে। ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র সকল রাষ্ট্রের স্বীয় মুক্ততা, অধিকার, সাম্য, সংস্কৃতি বজায় রেখে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার পথে সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দেশটি তার বিশ্ব নেতৃত্বের লুপ্ত গৌরব ফিরিয়ে আনতে পারে। বহুমেরু পৃথিবীর বৃহত্ শক্তিসমূহের উন্মত্ত শক্তি প্রদর্শনের প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে যেভাবে নস্যাত্ করে ফেলছে, তা দূর করতে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অঙ্গীকার রয়েছে দেশটির সংবিধানে। সে অঙ্গীকার পালনে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ বিশ্বের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা মারামারি, হানাহানি চাই না। বৃহত্শক্তির প্রমত্ত প্রতিযোগিতার কারণে পর পর দুটি বিশ্বযুদ্ধ পৃথিবীকে পোড়ামাটিতে পরিণত করেছে। আমরা স্বপ্ন দেখি নতুন ঝকঝকে পৃথিবীর, যেখানকার জাতিরাষ্ট্রসমূহ পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিশ্বায়নের যুগে ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ পৃথিবীকে বিশ্ব-গ্রামের অনাবিল শান্তির সন্ধিক্ষণে নিয়ে যাবে। এ বিশ্বকল্যাণ সাধনে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অবদান প্রতিটি মানুষের কাম্য।

n লেখক : অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।


 

 

 

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং
ফজর৫:১৫
যোহর১২:১৩
আসর৪:১৮
মাগরিব৫:৫৭
এশা৭:১০
সূর্যোদয় - ৬:৩১সূর্যাস্ত - ০৫:৫২
পড়ুন