তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
০৪ ডিসেম্বর, ২০১৫ ইং
তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
বিগত কয়েকবছর ধরে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নানা পরিবর্তন এসেছে। দেশে এখন ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের সংখ্যাও বাড়ছে। এসব স্কুল গ্রহণযোগ্যতাও অর্জন করছে সকলের মধ্যে। স্কুলগুলো ব্রিটিশ কাউন্সিলের আওতায় লন্ডনের ক্যামব্রিজ অথবা এডেক্সেল বোর্ডের কারিকুলাম অনুসরণ করছে।

শিক্ষা খাতের আধুনিকায়নে সরকারি উদ্যোগেও দেশীয় কারিকুলামে ইংরেজি শিক্ষাব্যবস্থা চালু হয়েছে যাকে বলা হচ্ছে ইংরেজি ভার্সন। আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিদ্যমান ইংরেজি ভীতি কাটিয়ে তুলতেই মূলত এই সংস্করণটি জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করেছে। ইংরেজি মাধ্যম এবং ইংরেজি ভার্সন শিক্ষা প্রদান করতে এখন অনেক স্কুলই গড়ে উঠছে। এগুলোর মধ্যে অল্প কিছু প্রতিষ্ঠানই শিশুদের সঠিকভাবে শিক্ষা প্রদান করে আসছে। এসব স্কুল থেকে অনেক শিক্ষার্থীই পরবর্তী সময়ে বিদেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে। অনেক শিক্ষার্থী স্কলারশিপ নিয়েও যাচ্ছে বিদেশে; ফলে তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য টাকাও লাগছে না। এমনই একটি স্কুল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (ডিআইএস)। দেশে এই স্কুলের রয়েছে পাঁচটি শাখা, বিদেশেও শাখা খোলার প্রক্রিয়া চলছে। এই স্কুলে ইংলিশ মিডিয়ামের পাশাপাশি জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রণীত ইংরেজি ভার্সনেও পাঠদান করানো হচ্ছে।

ড্যাফোডিল স্কুলের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো আইটি বা তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ। বর্তমান সময়ে সারাবিশ্বেই তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। ড্যাফোডিল স্কুলও সেই গুরুত্ব অনুধাবন করেই এখানকার শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলার কার্যক্রম গ্রহণ করছে। এর জন্য এই স্কুলে রয়েছে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব। এখানকার প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্যই কম্পিউটার শিক্ষা আবশ্যক এবং আইটি ক্লাস বাধ্যতামূলক। আধুনিক প্রযুক্তির সাথে তাল মেলাতে এখানকার ক্লাসগুলোকেও সাজানো হয়েছে স্মার্টবোর্ড ও অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া উপকরণ ব্যবহার করে।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরেও ডিআইএসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রম। এর মধ্যে রয়েছে আইসিটি ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, ডিবেট, বুক রিডিং, সায়েন্স, কালচার অ্যান্ড ড্রামা, ম্যাথ ক্লাব, কমিউনিটি সার্ভিস, সোস্যাল ওয়েলফেয়ারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্লাব যেগুলো শিক্ষার্থীদের মনোবল গঠন ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করছে। শিশুদের সঠিকভাবে বড় করে তুলতে এখানে রয়েছে ‘চাইল্ড সাইকোলজি’ এবং ‘ক্যারিয়ার ম্যাপিং’য়ের ব্যবস্থাও। এই দুইটি বিষয় একটি শিশুর মনস্তত্ব, আচরণ ও কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করে শিশুর ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ারের ক্ষেত্র নির্ধারণ করতে সহায়ক হয় এবং এর মাধ্যমে ছোটবেলা থেকেই শিশুকে ওই ক্ষেত্রে দক্ষ করে তোলার সুযোগ করে দেয়। ডিআইএসের আরেকটি বিশেষ দিক হলো ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান এই স্কুলের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যেও ‘এন্টারপ্রেনারশিপ’ বা ‘উদ্যোক্তা’ মনোভাব সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে ‘কিড এন্টারপ্রেনার’কে এখন গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। ডিআইএস বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

যোগাযোগ :০১৭১৩৪৯৩২২৬, ০১৭১৩৪৯৩১৪৪।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৪ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৫:০৬
যোহর১১:৪৯
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:২৬সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পড়ুন