জিপি অ্যাক্সেলারেটরের তৃতীয় ব্যাচের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ইং
জিপি অ্যাক্সেলারেটরের তৃতীয় ব্যাচের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু
গ্রামীণফোন অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রামের তৃতীয় ব্যাচের জন্য আবেদন পত্র গ্রহণ শুরু করেছে। বাংলাদেশের স্টার্টআপগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মত করে সাজানো হয়েছে জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম। দ্বিতীয় বছরের মত প্রোগ্রামটির অপারেটর পার্টনার হিসেবে রয়েছে এসডি এশিয়া। মিনিমাম ভায়াবল প্রোডাক্ট(এমভিপি) নিয়ে জিপি অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রামে যেকোনো টেক স্টার্টআপই লিংকটিতে যেয়ে আবেদন করতে পারেন। -www.grameenphoneaccelerator.com/appl  েপ্রোগ্রামটিতে অংশ নিতে হলে স্টার্টআপটির এমভিপি থাকতে হবে, সেই সাথে স্টার্টআপটির অন্তত দু’জন কো ফাউন্ডার থাকতে হবে যারা জিপিহাউজে ফুল টাইম কাজ করবে। আর্লি স্টেজে থাকা স্টার্টআপদের সাহায্য করার জন্য জিপি অ্যাক্সেলারেটর গ্রোগ্রাম ডিজাইন করা হয়েছে। প্রোগ্রাম থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা ‘সিমেড’ ডায়াবেটিস এবং ব্লাড প্রেসারের মত সাইলেন্ট কিলার রোগগুলোকে দূর করার মত চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করছে। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্র্যান্ডগুলোকে নিয়ে কি কি আলোচনা হচ্ছে সেটারই অ্যানালিটিকস প্রকাশ করছে আরেক জিপি অ্যাক্সেলারেটর গ্র্যাজুয়েট স্টার্টআপ ‘সোশিয়ান’। এরই মধ্যে জিপি অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রাম থেকে দু’টো ব্যাচের নয়টি স্টার্টআপ গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছে। এরই মধ্যে স্টার্টআপগুলো ডেমোডে’র আগেই ছয় মাসের মধ্যে নিজেদের ভ্যালু গড়ে ৩.৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। বাসায় কিংবা অফিসের সব ধরণের কাজ নিয়ে ওয়ান স্টপ সার্ভিস প্রোভাইডার স্টার্টআপ ‘সেবা’ও জিপি অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রাম থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছে। জিপি অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রামের ভ্যালু বোঝাতে যেয়ে সেবার সিইও আদনান ইমতিয়াজ জানান, ‘স্টার্টআপটি নিয়ে মার্কেটে পৌঁছাতে কি কি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে সেটা আগে থেকেই জিপি অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রাম শিখিয়েছিল বলেই আমাদের দু’বছর সময় বেঁচে গেছে’। এন্টারপ্রাইজদের জন্য প্রাইভেট সার্চ ইঞ্জিন ‘ক্র্যামস্টেক’র ফাউন্ডার মির সাকিব জানান, অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রামের সুবিধাগুলো, ‘জিপি অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রাম এমন একটি প্লাটফর্ম যা আপনার স্টার্টআপকে শূন্য থেকে একেবারে অপারেশন স্টেজ পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারবে। তরুণ উদ্যোক্তাদের এই প্রোগ্রাম

শেখাবে কিভাবে একটি স্টার্টআপের কাজ চালাতে হয়। আমরা আজকে এই পর্যায়ে আসার জন্য জিপি অ্যাক্সেলারেটর এবং এসডি এশিয়া দলের কাছে কৃতজ্ঞ’। চার মাসের এই অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রামের সময় জিপি হাউজে স্টার্টআপগুলোর জন্য ফ্রি অফিস স্পেস ছাড়াও সিড ফান্ডিং হিসেবে প্রায় ১১ লাখ টাকা দেয়া হবে। বিজনেস স্কেলআপের পাশাপাশি ব্যবসাকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে ফিনান্সিয়াল মডেলিং করতেও সাহায্য করবে এই অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রাম। প্রোগ্রামটি টেলিনর গ্রুপের একটি অংশ হওয়ায় শুধু বাংলাদেশেই নয়, দেশের বাইরেও স্টার্টআপগুলো তাদের নিজেদের ব্যবসাকে সমপ্রসারণ করতে পারবে। প্রোগ্রামটি সম্পর্কে হেড অফ জিপি অ্যাক্সেলারেটর মিনহাজ আনোয়ার জানান, শুধু সিড মানিই এই প্রোগ্রামটির প্রধান ভ্যালু নয়। যখনই স্টার্টআপদের যে কোনো ধরণের সাহায্যের প্রয়োজন হয় তার সবকিছুই প্রদান করে অন্যান্য অ্যাক্সেলারেটর থেকে আলাদা করেছে জিপি অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রাম। তাছাড়া স্টার্টআপ গুলো নিজেদের ব্যবসা বাড়িয়ে নিতে প্রয়োজনীয় কন্টাক্টস, বিনিয়োগকারী এবং টার্গেট কাস্টমারদের কাছে সহজে পৌঁছানোর মত সব সুযোগ সুবিধা করে দেয়া হয় এই প্রোগ্রামে’।   এসডি এশিয়ার সিইও মুস্তাফিজুর রাহমান খান বলেন, ‘আমরা শুরুর দিকের স্টার্টআপ খুঁজছি যাদের কাস্টমার রয়েছে এবং স্টার্টআপটি রেভিনিউও করছে। এই চার মাসের প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা স্টার্টআপগুলোর মার্কেটিং গ্রোথ এবং সেলসকে আর বাড়িয়ে দিতে চাই যাতে করে ডেমোডে’তে তারা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বিনিয়োগ পেতে পারে’। আগ্রহী স্টার্টআপগুলো জিপি অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রাম সম্পর্কে আরও জানতে এই ফেব্রুয়ারি মাসে আয়োজিত হতে যাওয়া ইনফরমেশন সেশনগুলোতে অংশ নিতে পারেন। বিস্তারিত জানতে ফেসবুক পেজ- www.facebook.com/gpaccelerator/ অথবা ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারেন- www.grameenphoneaccelerator.com।

 

 সৌজন্যে:

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ইং
ফজর৫:১৮
যোহর১২:১৩
আসর৪:১৫
মাগরিব৫:৫৪
এশা৭:০৮
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:৪৯
পড়ুন