রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে : রূপালী ব্যাংকের এমডি
২১ জুন, ২০১৭ ইং
g ইত্তেফাক রিপোর্ট

এখন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছে ব্যাংকগুলো। এখন আর আগের মত ব্রিফকেস নিয়ে আসলে কিংবা প্রভাব বিস্তার করে, তদবির করে ঋণ নেওয়া যায় না। গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউর রহমান প্রধান।

রূপালী ব্যাংক এমডি বলেন, খেলাপি ঋণ রাতারাতি শেষ হয়ে যাবে না। আমরা চেষ্টা করছি খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার। ভাল কিছু করার চেষ্টা করছি। ব্যাংকিং খাত এখনো হলমার্ক ও বেসিক ব্যাংকের ধকল কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে কেন পুনঃমূলধন দেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। কিন্তু বিভিন্ন দুর্ঘটনা ও যৌক্তিক কারণে অনেক গ্রাহককের সুদ মওকুফ করে দিতে হয়। অথচ আমানতের বিপরীতে সুদ পরিশোধ করা লাগছে। এছাড়া সরকারী ব্যাংক হিসাবে বিনামূল্যে গ্রাহকদের অনেক সেবা দিতে হয়। এভাবে ব্যাংকের মূলধন কমে যায়। অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বেসরকারী ব্যাংকের তুলনা করে তিনি বলেন, বেসকারী ব্যাংকের বেশিরভাগ শাখা শহরে। আর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বেশিরভাগ শাখা গ্রামে। গ্রামের লোক বেশি আমানত রাখে না। মুক্তিযোদ্ধা, বিধবা, অসহায়সহ সবার অ্যাকাউন্ট রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকেই থাকে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ভাল কাজ ও দেশের উন্নয়নমূলক কাজ করছে।

আতাউর রহমান প্রধান বলেন, মুনাফা অর্জন করা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কখনো মূখ্য উদ্দেশ্য ছিল না। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক অনেক অবদান রাখছে। তবে অনেক ভুল ভ্রান্তি আছে। অনিয়ম আছে যা অস্বীকার করার উপায় নেই। এর মাঝেও এসব ব্যাংকের ভাল কাজগুলো তুলে ধরতে হবে।

রূপালী ব্যাংকের অর্জন বলতে গিয়ে তিনি বলেন, গ্রাহককে সর্বাধুনিক সেবা ও ব্যাংকের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা-গতি আনতে রূপালী ব্যাংকের ৫৬৩ টি শাখা অনলাইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। সবচেয়ে ব্যতিক্রমী কাজ হয়েছে এক কোটি মায়ের অ্যাকাউন্ট খোলা। এর মাধ্যমে এক কোটি ৩০ লাখ ছাত্র-ছাত্রীর একটা বিশাল ডাটাবেইজ তৈরি হয়ে গেছে। যার ফলে প্রাইমারি স্কুলের বই ছাপানোর জন্য হিসাব পাওয়া গেছে। এতে সরকারের খরচও কমে গেছে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২১ জুন, ২০১৮ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পড়ুন