প্রস্তাবিত শুল্কে গাড়ি উত্পাদনের সক্ষমতা হারাবে দেশীয় উদ্যোক্তারা
২১ জুন, ২০১৭ ইং
g চট্টগ্রাম অফিস

বাজেটে শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাবে বড় ধরনের সংকটে পড়তে যাচ্ছে দেশীয় গাড়ি সংযোজনকারী  প্রতিষ্ঠানগুলো। সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজেটে সংযোজিত গাড়ি ও বিযুক্ত অবস্থায় গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির পর সংযোজনের ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির ফলে এ খাতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। নতুন শুল্ক কাঠামোয় এ দেশে গাড়ি উত্পাদন বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, (একটি ১৬০০ সিসি গাড়ির ক্ষেত্রে) গত ১৫ বছর চেসিস ফিটেড উইথ ইঞ্জিন এবং বডি এই দু’ধরনের আমদানিতে মোট শুল্ক করের পরিমাণ ছিলো গড়ে ৫৯ শতাংশ। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরেও এ দু’ধরনের আমদানিতে মোট ৫৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ শুল্ক বলবত্ আছে । তবে প্রস্তাবিত (২০১৭-১৮) বাজেটে এই শুল্ক হার নির্ধারণ করা হয়েছে চেসিস ফিটেড ইউথ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে মোট ৮৯ শতাংশ এবং বডি ইনক্লুডিং ক্যাবের ক্ষেত্রে ১২৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। চট্টগ্রাম চেম্বারের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম বলেন, গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর ফলে স্থানীয় উদ্যোক্তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে । গাড়ি সংযোজন শিল্প টিকিয়ে রাখতে হলে অবশ্যই এ ধরনের শুল্ক যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে । সরকার এ দেশে গাড়ি উত্পাদনের পথ তৈরি করার স্বার্থেই শুল্ক কাঠামোয় সংশোধন আনবে আশা করছি।

পিএইচপি ফ্যামিলির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন বলেন, বিগত বছরগুলোর শুল্ক কাঠামো পর্যালোচনায় দেশের ভিতর গাড়ি সংযোজন ও উত্পাদনের উদ্যোগ নিয়েছি। এখন বাজেটে আমাদের প্রধান কাঁচামাল চেসিস ফিটেড উইথ ইঞ্জিন এবং বডি আমদানিতে অস্বাভাবিক শুল্ক বৃদ্ধির যে প্রস্তাব করা হয়েছে তাতে আমাদের এই বিনিয়োগে অনেক বড় ধরনের একটি ঝুঁকি তৈরি করছে। এতে পণ্যের মূল্য বেড়ে বাজারজাত করতে না পারলে সদ্য স্থাপন করা শিল্প বন্ধ হয়ে যাবে । কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকরা চাকরি হারাবে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২১ জুন, ২০১৮ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পড়ুন