ঢাকা শনিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ৬ মাঘ ১৪২৫
২৩ °সে

সিরিয়া থেকে সামরিক সরঞ্জাম সরানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিটি ইরানি সেনাকে তাড়ানো হবে: মাইক পম্পেও
সিরিয়া থেকে সামরিক সরঞ্জাম সরানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র
মিসরের রাজধানী কায়রোতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে বৈঠক করেন

সিরিয়ায় থাকা কিছু সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে সিরিয়া থেকে সব ইরানি সেনাকে তাড়ানোর অঙ্গীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা অনুযায়ী সিরিয়া থেকে কিছু সামরিক সরঞ্জাম সরানো শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা। সামরিক সরঞ্জাম প্রত্যাহার নিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পেন্টাগনের ওই কর্মকর্তা বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষষে বিস্তারিত তিনি কিছু বলেননি।

গত ১৯ ডিসেম্বর সিরিয়া থেকে মার্কিন বাহিনীকে পুরোপুরি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর মিত্রদেশগুলোর নানা সমালোচনায় পড়েন ট্রাম্প। সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তাও। আফগানিস্তান ও সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের মতো কিছু সিদ্ধান্তের বিরোধিতার কারণে পদত্যাগও করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বৃহস্পতিবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্ররা পিছু ধাওয়া করে সিরিয়া থেকে ‘প্রতিটি ইরানি সেনাকে’ হটিয়ে দেবে। একটি সেনাও আর অবশিষ্ট থাকবে না। তিনি বলেন, সিরিয়ায় ইরান এবং তাদের প্রক্সিদাতারা বিতাড়িত না হওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র পুনর্গঠনের জন্য কোনো সাহায্য দেবে না। মিশরের রাজধানী কায়রো সফরকালে তিনি এ কথাগুলো বলেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার তিন সপ্তাহ পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ৯ দিনের সফর শুরু করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আরব মিত্র দেশগুলোর দ্বন্দ্ব ও উদ্বেগ দূর করে তাদেরকে নতুন করে আশ্বস্ত করতেই মধ্যপ্রাচ্যে পম্পেওর এ সফর।

পম্পেও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক পন্থায় এবং মিত্রদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সিরিয়া থেকে শেষ ইরানি সেনাটিকেও তাড়িয়ে দেবে এবং দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগে থাকা জনগণের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাবে।’ প্রসঙ্গত, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে আসাদ সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে রাশিয়ার পাশাপাশি ইরানও। তারা সেখানে অস্ত্র সরবরাহ করাসহ সামরিক উপদেষ্টা এবং লড়াইয়ের জন্য সেনা পাঠিয়েও সহায়তা করছে। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের তত্পরতাকে সন্দেহের চোখেই দেখে। ইরান ওই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইছে বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দুই ঘোর শত্রু দেশ ইসরাইল এবং সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ মিত্রও।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ জানুয়ারি, ২০১৯
আর্কাইভ
 
বেটা
ভার্সন