রাশিয়ার হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করেমন্টেনেগ্রোকে ন্যাটো জোটে
০৪ ডিসেম্বর, ২০১৫ ইং
g ইত্তেফাক ডেস্ক

রাশিয়ার হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে মন্টেনেগ্রোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোতে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জোটটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। ২০০৯ সালের পর এই প্রথম ন্যাটো সদস্য সংখ্যা বাড়াচ্ছে। বুধবার ন্যাটো মহাসচিব জেন্স স্টলটেনবার্গ মন্টেনেগ্রোকে জোটে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানান।

টুইটে মন্টেনেগ্রোর প্রেসিডেন্ট মিল জুকানভিচ লেখেন, “আজ আমরা গর্বের সঙ্গে ন্যাটোর সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেছি। মন্টেনেগ্রোর জন্য এ এক ঐতিহাসিক দিন। ২০০৬ সালে স্বাধীনতা লাভ করার পর আজ আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন।” বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে মন্টেনেগ্রোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইগর লুকসিক বলেন, “এটি চমত্কার মিত্রতার সূচনা। তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বুধবার বলেছেন, পূর্বের দিকে ন্যাটোর সম্প্রসারণ ঘটতে থাকলে রাশিয়া এর পাল্টা জবাব দেবে।

এর আগে সেপ্টেম্বরে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ন্যাটো সম্প্রসারণকে ‘ভুল পদক্ষেপ’ এবং ‘উস্কানি’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই বলে আসছে ন্যাটোর সম্প্রসারণ রাশিয়ার জন্য হুমকি নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, রাশিয়ার কারণে মন্টেনেগ্রোকে ন্যাটোতে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। “ন্যাটো কারো জন্য হুমকি নয়। এটি প্রতিরক্ষার জন্য মিত্রতা। খুব সাধারণভাবে বলতে গেলে, এটি মিত্রদের সুরক্ষা দেয়া। রাশিয়া বা অন্য কেউ ন্যাটোর লক্ষ্য নয়।”

তারপরও মন্টেনেগ্রোর ন্যাটোতে যোগ দেয়ার উত্সাহে নাখোশ রাশিয়া। ইউক্রেইনে সংঘর্ষ থেকে শুরু করে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপের বিষয়টিতেও বিপরীত অবস্থানে রয়েছে ন্যাটো ও রাশিয়া। সর্বশেষ তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে তুর্কি জঙ্গিবিমান থেকে গুলি করে রুশ বোমারুবিমান ভূপাতিত করার ঘটনার পর ন্যাটো তুরস্কের পক্ষে অবস্থান নেয়। এর ফলে বর্তমানে  উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৪ নভেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৫:০৬
যোহর১১:৪৯
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:২৬সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পড়ুন