বিজ্ঞান ও টেক | The Daily Ittefaq

৪-টিয়ার ডেটা সেন্টারের নকশা যুক্তরাষ্ট্রের আপটাইমের অনুমোদন পেল

৪-টিয়ার ডেটা সেন্টারের নকশা যুক্তরাষ্ট্রের আপটাইমের অনুমোদন পেল
অনলাইন ডেস্ক১৫ জুন, ২০১৭ ইং ১৬:২২ মিঃ
৪-টিয়ার ডেটা সেন্টারের নকশা যুক্তরাষ্ট্রের আপটাইমের অনুমোদন পেল
ডাটা সেন্টারের হোস্টিং ক্যাপাসিটি  বাড়াতে, সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডাটা/নথি সংরক্ষণ ও সুরক্ষিত রাখতে এবং  জাতীয় ই-সেবা সিস্টেমের মাধ্যমে নাগরিক সেবা দ্রুত ও নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গাজিপুরের কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাই- টেক সিটি প্রাঙ্গণে গড়ে তোলা হচ্ছে ফোর টায়ার ডেটা সেন্টার। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আপটাইম ইনস্টিটিউট ফোর টিয়ার ডেটা সেন্টারের ডিজাইন অনুমোদন দেয়।
 
এই অনুমোদনের ফলে ডেটা সেন্টার স্থাপনে এক ধাপ অগ্রগতি হলো যা আপটাইম ইন্সিটিউট থেকে টায়ার ফোর গোল্ড ফল্ট টলারেন্ট সার্টিফিকেশন অর্জনের মাধ্যমে সমাপ্তি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। 
 
বিষয়টি নিয়ে আইসিটি প্রতিমিন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে ও প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টার সার্বিক তত্ত্বাবধানে দিনে দিনে ডিজিটাল বাংলাদেশের কলেবর বাড়ছে। আর সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেশী পরিমাণে ডেটা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাও। এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে আমরা কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে টিয়ার ফোর মানের ডেটা সেন্টার স্থাপন করছি।  এই ডেটা সেন্টারে সরকারি ডেটার পাশাপাশি আমরা সীমিত আকারে বেসরকারি ডেটাও  হোস্ট করব। আর নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করবে আপটাইম ইনস্টিটিউট।  টিয়ার ফোর মানের সার্টিফিকেশন দেয়ার আগে আপটাইম ইনস্টিটিউট সকল ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। 
 
‘ফোর টায়ার ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার (4TDC)’ প্রকল্পের আওতায় দেশে একটি সমন্বিত ও  বিশ্বমানের ডাটা সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে যার ডাউন টাইম শূন্যের কোঠায়।এর ফলে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার ডিজিটাল কন্টেন্ট সংরক্ষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, ডিজিটাল কন্টেন্ট সমূহের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে জনসেবা উন্নত হবে এবং ক্লাউড কম্পিউটিং ও জি-ক্লাউড প্রযুক্তিতে বিশ্বের ৬ষ্ঠ বৃহত্তম স্থান হিসাবে অবদান রাখবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে সরকারের সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারি কার্যালয়ের আইসিটি কার্যক্রম সরাসরি যুক্ত থাকবে।
 
বিশালাকার এই ডাটা সেন্টারে থাকছে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ৬০৪ টি র্যা ক, ৯ এমভিএ লোডের রিডান্ডেন্ট লাইনসহ সমৃদ্ধ ২৪ ঘণ্টার নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যু সংযোগের ব্যবস্থা, উচ্চ গতিসম্পন্ন ৪০ জিবিপিএস রিডান্ডেন্ট ডেটা কানেকটিভিটি/ ইন্টারনেট সংযোগ।
 
২০১৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত একনেক সভায় অনুমোদিত হওয়া এই প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১ হাজার ৫১৬.৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩১৭.৫৫ কোটি টাকা সরাকারি অর্থায়ন এবং বাকী  ১ হাজার ১৯৯.৩৬ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য। প্রকল্পটি  ২০১৮ সালের জুনে শেষ হবে।
 
ইত্তেফাক/রেজা
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৯ জুন, ২০১৭ ইং
ফজর৩:৪৬
যোহর১২:০২
আসর৪:৪২
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৭
সূর্যোদয় - ৫:১৪সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭