বিজ্ঞান ও টেক | The Daily Ittefaq

শুধু ফ্রিজেই বছরে ৩৬০০ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব

শুধু ফ্রিজেই বছরে ৩৬০০ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব
অনলাইন ডেস্ক০৭ আগষ্ট, ২০১৭ ইং ১৯:৫০ মিঃ
শুধু ফ্রিজেই বছরে ৩৬০০ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব
আধুনিক বিশ্বে ইলেকট্রনিক্স এ্যাপ্লায়েন্সেসে ব্যবহৃত হচ্ছে লেটেস্ট প্রযুক্তি ‘ইনভার্টার’। বিশেষ করে ফ্রিজ এবং এসিতে যুগান্তকারী ইনভার্টার কম্প্রেসারের সংযুক্তি এসব পণ্যকে করেছে ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। বেশকিছুদিন ধরেই বাংলাদেশে ওয়ালটন ফ্রিজ এবং এসিতে ব্যবহৃত হচ্ছে ইনটিলিজেন্ট ইনভার্টার। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রযুক্তি ব্যবহারে শুধুমাত্র ফ্রিজেই বছরে সাশ্রয় হবে ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। যা দিয়ে বাড়তি বিদ্যুত উৎপাদন সম্ভব। সম্ভব বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন। 
 
জানা গেছে, গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাই- টেক ইন্ডাস্ট্রিজে ফ্রিজ গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রকৌশলীরা তৈরি করছেন ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির কম্প্রেসার সম্বলিত ১৮০০০ বিটিইউ’র (ব্রিটিশ থারমাল ইউনিট) এসি এবং ১৬টি বৈচিত্র্যময় ডিজাইন ও কালারের নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর। সেই সঙ্গে ফ্রিজের কম্প্রেসারে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্ব স্বীকৃত পরিবেশবান্ধব সিএফসি এবং এইচএফসি গ্যাসমুক্ত জ৬০০ধ রেফ্রিজারেন্ট। যা পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি ফ্রিজের বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় করে প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত। সবমিলিয়ে ওয়ালটন ফ্রিজ এবং এসি বিদ্যুত সাশ্রয় করে ৫০ শতাংশ। ওয়ালটন ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির ফ্রিজ ও এসি বাজারে আসার অল্প দিনের মধ্যেই গ্রাহকপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছে। এছাড়া ব্যাপক বিদ্যুত সাশ্রয়ী হিসেবে বিএসটিআই এর ফাইভ স্টার রেটিং অর্জন করেছে ওয়ালটন। 
 
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২৫ লাখ ফ্রিজ বিক্রি হয়। তাদের ধারণা, বর্তমানে দেশে দুই কোটিরও বেশি ফ্রিজ ব্যবহৃত হচ্ছে। সাধারণত একটি ফ্রিজের মাসিক বিদ্যুৎ বিল গড়ে প্রায় ৩০০ টাকা। সেই হিসাবে পুরো বছরে আসে ৩৬০০ টাকা। এসব ফ্রিজ যদি ইনভার্টার প্রযুক্তির হতো তাহলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হতো প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত। এতে করে পুরো বছরে একটি ফ্রিজে বিদ্যুত সাশ্রয় হয় ১৮০০ টাকা। আর দুই কোটি ফ্রিজে বাৎসরিক বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় হবে ৩,৬০০ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে বিদ্যুত উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্যে বিদ্যমান ঘাটতিও হ্রাস পাবে। 
 
ওয়ালটন আরএন্ডডি বিভাগের প্রধান তাপস কুমার মজুমদার বলেন, ফ্রিজের অভ্যন্তরে সংরক্ষিত খাবারের পরিমাণ অথবা রুমের তাপমাত্রা অনুযায়ী ইনভার্টার প্রযুক্তি কম্প্রেসারের গতি নিয়ন্ত্রণ করে। যা চলে মাদারবোর্ডের মাধ্যমে। প্রয়োজন অনুযায়ী কম্প্রেসার অন/অফ বা বিভিন্ন গতিতে চলে বিধায় বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম হয়। তিনি আরো বলেন, ইনভার্টারে কুলিং পারফরমেন্সের কোনো তারতম্য না থাকায় খাবারের মান অক্ষুন্ন থাকে। ইন্ডাকশন কম্প্রেসারের একটি মাত্র নির্দিষ্ট গতিতে চলে কিন্তু ইনভার্টার কম্প্রেসার বিভিন্ন গতিতে চলে বিধায় এর কার্যক্ষমতা ইন্ডাকশন কম্প্রেসারের তুলনায় অনেক বেশি। 
 
ইত্তেফাক/রেজা
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৮ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
ফজর৪:১৬
যোহর১২:০৩
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৩৩
এশা৭:৪৯
সূর্যোদয় - ৫:৩৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৮