বিজ্ঞান ও টেক | The Daily Ittefaq

এবার ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ জয়

এবার ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ জয়
অনলাইন ডেস্ক১১ অক্টোবর, ২০১৭ ইং ০৯:১৭ মিঃ
এবার ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ জয়
 
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণ এবং দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র ও তার তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বাংলাদেশের মানুষের জন্য ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে অসামান্য অবদান ও প্রতিযোগিতামূলক টেকসই উন্নয়নের একটি হাতিয়ার হিসেবে আইসিটির প্রতি তার অঙ্গীকার ও অসাধারণ নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ জয়কে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
 
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কাছে ইউএন প্লাজা হোটেল মিলনায়তনে ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অব গভর্নেন্স অ্যান্ড কমপিটিটিভনেস, প্ল্যান ট্রিফিনিও, গ্লোবাল ফ্যাশন ফর ডেভেলপমেন্ট ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাটের ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাভেনের স্কুল অব বিজনেস যৌথভাবে উচ্চ পর্যায়ের এই অভ্যর্থনার আয়োজন করে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশন উপলক্ষে এই বছর চালু হওয়া এই পুরস্কারটি বার্ষিক ভিত্তিতে নিয়মিতভাবে দেওয়া হবে।
 
প্রখ্যাত অভিনেতা রবার্ট ডাবি এক জমকালো অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। এল-সালভাদরের প্ল্যান ট্রিফিনিওর এক্সিকিউটিভ ন্যাশনাল ডিরেক্টর ড. সার্জিও ব্রানও অভিনেতার কাছ থেকে আরেকটি পুরস্কার গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশ থেকে আগত মন্ত্রী ও উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রধানগণ, দূতগণ, বেসরকারি খাত ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও খ্যাতিমান তারকারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
 
অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশ থেকে কাউকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভূমিকার স্বীকৃতি প্রকারান্তরে বাংলাদেশের মানুষের অদম্য কর্মস্পৃহার প্রতিই সম্মান বলে মনে করছি। তিনি বলেন, ‘জয়ের কাছ থেকেই আমি কম্পিউটার চালানো শিখেছি। এজন্য সে আমার শিক্ষক। শুধু তাই নয়, তথ্যপ্রযুক্তির সামগ্রিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দরিদ্র মেহনতি মানুষ থেকে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে স্বয়ম্ভরতা অর্জনের যে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে, তার মন্ত্র এসেছে জয়ের কাছ থেকে। এমন সন্তানের মা হতে পেরে আমি গর্বিত।’ 
 
পুরস্কার গ্রহণের পর আবেগ-আপ্লুত কণ্ঠে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘আমার মা তার কষ্টের কাহিনী বললেন, ‘আমার জন্মের সময়ের অসহনীয় দুর্দশার দিনগুলো তিনি ভোলেননি। আমি এই পুরস্কার লাভ করায় খুবই সম্মানিত বোধ করছি।’
 
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার গ্রহণের পর উপস্থিত সকলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অভিনন্দন জানান।
 
ইত্তেফাক/এমআর
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৬ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৫:১২
যোহর১১:৫৪
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৫
সূর্যোদয় - ৬:৩৩সূর্যাস্ত - ০৫:১২