বাণিজ্য | The Daily Ittefaq

মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে

মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে
দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর
ইত্তেফাক রিপোর্ট১১ আগষ্ট, ২০১৭ ইং ১০:০৫ মিঃ
মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে
ফাইল ছবি
 
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ভারতে বৃষ্টি ও বন্যার কারণে সেখানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। সে কারণে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দামও কিছুটা বেড়েছে। বিকল্প স্থান হিসেবে মিসর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে এগুলো বাজারে আসবে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মিসর থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ ছাড়করণের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
 
বাণিজ্যমন্ত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, গরম মসলাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করে এ সব কথা বলেন।
 
মন্ত্রী আরো বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় চামড়ায় ব্যবহার এবং ভোজ্য লবণের চাহিদা মেটানোর জন্য পাঁচ লাখ মেট্রিক টন লবণ আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। দেশের চলমান ২৩২টি লবণ মিলকে ২১৫০ মেট্রিক টন করে লবণ আমদানির অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারের লবণ উৎপাদনকারী ও মিল মালিকরাও রয়েছেন।
 
তোফায়েল আহমেদ বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যাতে কোনো পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি না পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। এ সময় তিনি দেশের গণমাধ্যমকে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার আহ্বান জানান। আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পেঁয়াজ, লবণ, আদা, রসুনসহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান। বৈঠকে জানানো হয়, দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২২ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ১৮ লাখ মেট্রিক টন স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা হয়। বাকি চার লাখ মেট্রিক টন আমদানি করা হয়। মূলত এই আমদানিকৃত চার লাখ টন পেঁয়াজ বাজারের ওপর প্রভাব ফেলে।
 
চলতি বছর ভারতে ও বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। ফলে উভয় দেশেই পেঁয়াজ উৎপাদন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিকল্প হিসেবে মিসর ও পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে এলসি খোলা হয়েছে। সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ীরা জানান, মিসর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ সময়মত চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস হলে ঈদের আগেই দাম কমে আসবে।
 
মন্ত্রী বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির গরুর সংকট হবে না। এখন দেশেই পর্যাপ্ত গরু উৎপাদন হচ্ছে। দেশের চাহিদা পূরণের জন্য  বিদেশ থেকে আর গরু আমদানি করার প্রয়োজন হবে না। একইভাবে সরকার পেঁয়াজ ও লবণ উৎপাদনে স্বয়ং সম্পন্ন হবার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
 
এ সময় বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর, আমদানি ও রপ্তানি অধিদফতরের প্রধান নিয়ন্ত্রক আফরোজা খানসহ বাণিজ্য ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দফতরের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের মালিক ও প্রতিনিধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিকারকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
 
ইত্তেফাক/এমআর
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৪ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৮
মাগরিব৫:২৯
এশা৬:৪২
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৪