অর্থনীতি | The Daily Ittefaq

সব গার্মেন্টসে এখনো সরকার ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়ন হয়নি

সব গার্মেন্টসে এখনো সরকার ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়ন হয়নি
শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ডিআইএফই’র পরিদর্শন প্রতিবেদন
ইত্তেফাক রিপোর্ট২১ মার্চ, ২০১৮ ইং ১১:০১ মিঃ
সব গার্মেন্টসে এখনো সরকার ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়ন হয়নি
প্রতীকী ছবি
দেশের সব গার্মেন্টস কারখানা এখনো সরকার ঘোষিত মজুরি কাঠামো অনুযায়ী শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ করে না। খোদ সরকারের শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) পরিদর্শনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে ১ হাজার ৭৭১টি গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শন করেছে। তাতে দেখা গেছে, অন্তত ২ শতাংশ গার্মেন্টস কারখানা এখনো সরকার ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়ন করে না। অর্থাত্ ডিআইএফই’র পরিদর্শন হওয়া কারখানার মধ্যে অন্তত ৩৫টি কারখানা সরকার ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়ন করে না। এর মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র সদস্যভুক্ত কারখানাও রয়েছে। তবে এই দুটি সংগঠনের সদস্য বহির্ভূত কারখানায় এ অনিয়ম অপেক্ষাকৃত বেশি। সম্প্রতি ডিআইএফই এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
 
দেশে সর্বশেষ ২০১৩ সালে গার্মেন্টস খাতের শ্রমিকদের জন্য নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড ঘোষণা করা হয়। ওই মজুরি বোর্ড অনুযায়ী, এ খাতের শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ৫ হাজার ৩শ’ টাকা। বিদ্যমান শ্রম আইন অনুযায়ী, ৭ম গ্রেডের শ্রমিকরা এ মজুরি পাবেন। তবে অদক্ষ কিংবা নতুন শ্রমিককে প্রথম তিন মাস ৪ হাজার ১৮০ টাকায় শিক্ষানবীশ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে। আলোচ্য সময় পর মালিকপক্ষ চাইলে তা আরো তিন মাস বাড়াতে পারবেন। অর্থাত্ ছয় মাস শেষে অবশ্যই ওই শ্রমিককে স্থায়ী শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। কিন্তু শ্রমিক নেতারা বলছেন, বাস্তবে অনেক কারখানাই এ নিয়ম মানে না। শুধু তাই নয়, ৯৮ শতাংশ কারখানা সরকার ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়ন করে - ডিআইএফই’র এমন প্রতিবেদনের সঙ্গেও একমত নন ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিলের (আইবিসি) মহাসচিব তৌহিদুল ইসলাম।
 
ইত্তেফাককে তিনি বলেন, ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কারখানা সরকার ঘোষিত মজুরি কাঠামো বাস্তবায়ন করে। বাকী কারখানাগুলো এখনো তা করে না। এসব কারখানা খেয়াল-খুশিমত মজুরি পরিশোধ করে থাকে। দেখা যাচ্ছে, দুই বছর পরও তিন হাজার টাকাই মজুরি দিচ্ছে। অবশ্য এ বিষয়ে তাদের নিজেদের কোন জরিপ নেই বলেও স্বীকার করেন তিনি।
 
অন্যদিকে শ্রমিক নেতাদের এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন মালিকপক্ষ। বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি এহসান শামীম ইত্তেফাককে বলেন, বর্তমানে পোশাক শিল্পে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ শ্রমিক সংকট রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়ন করেই আমরা যেখানে শ্রমিক পাচ্ছি না, সেখানে ২ শতাংশ কারখানা (ডিআইএফই’র জরিপ অনুযায়ী) কীভাবে কম মজুরিতে শ্রমিক পাবে? অবশ্য তিনি বলেন, হয়তো দুটি সংগঠনের সদস্য বহির্ভূত কারখানায় এ সমস্যা থাকলেও থাকতে পারে।
 
ইত্তেফাক/কেকে
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৫
এশা৭:০৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৫০