অর্থনীতি | The Daily Ittefaq

হালাল পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে নীতিসহায়তা প্রয়োজন

ডিসিসিআইয়ের সেমিনার
হালাল পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে নীতিসহায়তা প্রয়োজন
বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সংযুক্ত আরব আমিরাত
ইত্তেফাক রিপোর্ট১০ আগষ্ট, ২০১৮ ইং ০৯:৫১ মিঃ
হালাল পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে নীতিসহায়তা প্রয়োজন
 
বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের বিশাল বাজার রয়েছে। দিন দিন এটি বাড়ছে। ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের বাজার মূল্য ছিল প্রায় ২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর ২০২৪ সাল নাগাদ এটি প্রায় সাড়ে ১০ ট্রিলিয়নে উন্নীত হবে। বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ হওয়ায় এ সম্ভাবনা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এ জন্য সরকারের নীতি সহায়তা, বিশেষত পণ্যের সনদ প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান স্থাপন, সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া সহজীকরণ, প্রশিক্ষিত পরিদর্শক নিয়োগের আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে  দক্ষ জনবল তৈরি এবং প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়নে স্বল্পসুদে অর্থায়ন ও গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে হালাল পণ্যের অর্ন্তভুক্তিকরণে গুরুত্ব আরোপ করেন।
 
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে তারা এসব কথা বলেন। ‘হালাল সনদের মানদণ্ড এবং প্রতিবন্ধকতা : বাংলাদেশের সম্ভাবনা’ শীর্ষক ওই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম। ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাশেম খান ছাড়াও ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা, বিশেষজ্ঞ ও ঢাকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত সাইদ মোহাম্মদ আল-মেহেরি সেমিনারে বক্তব্য দেন।
 
আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত সাইদ মোহাম্মদ আল মেহেরি বলেন, মুসলিম প্রধান দেশগুলোর পাশাপাশি অমুসলিম জনবহুল  দেশেও হালাল পণ্যের ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচন হচ্ছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নের উপর গুরুত্ব দেন। এ সময় তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি দেশে শুধুমাত্র মাংস রপ্তানি করছে। গো-খাদ্যে যেন কোনভাবেই ক্ষতিকারক রাসায়নিক অথবা ওষুধ ব্যবহার কার না হয়, সেদিকে আরো যত্নবান হতে হবে। বাংলাদেশে দেশটির আরো বিনিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত বাংলাদেশে  প্রায় ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত আরো বেশি হারে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী।
 
কাজী এম আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের রপ্তানির পরিমাণ বাড়ানো, রপ্তানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং অধিক হারে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে হালাল পণ্য উৎপাদনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। হালাল পণ্য উৎপাদন বাড়ানোর জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে।  এ সময় ডিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি রিয়াদ হোসেনসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২১ আগষ্ট, ২০১৮ ইং
ফজর৪:১৭
যোহর১২:০২
আসর৪:৩৬
মাগরিব৬:৩০
এশা৭:৪৬
সূর্যোদয় - ৫:৩৬সূর্যাস্ত - ০৬:২৫