অর্থনীতি | The Daily Ittefaq

আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাকের আশঙ্কা

আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাকের আশঙ্কা
ইত্তেফাক রিপোর্ট১৪ আগষ্ট, ২০১৮ ইং ০০:১৬ মিঃ
আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাকের আশঙ্কা
নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির আড়াই বছরের মাথায় আবারও রিজার্ভ চুরির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ম্যালওয়্যার ভাইরাসের মাধ্যমে হ্যাক করে চুরির ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে চিঠি দিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এমন ঘটনা আর ঘটবে না।
 
সূত্র বলছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাকের জন্য চারটি দেশ বাংলাদেশের উপর নজর রাখছে। এসব দেশের হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ম্যানেজমেন্টের দূর্বল দিকগুলো খুজে বের করছে। এমন তথ্য জানিয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় অর্থমন্ত্রণালয়কে সতর্ক থাকতে বলেছে।
 
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির পরও বৈশ্বিক ব্যাংকিং লেনদেন ব্যবস্থায় সাইবার হামলার মাধ্যমে অন্যান্য ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরি করেছে হ্যাকাররা। দি সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক টেলিকমিউনিকেশন (সুইফট)-এর এক কর্মকর্তার বয়ান থেকে এমন তথ্য জানা গেছে। একারণে ২০১৬ সালের শেষদিকে লেনদেন ব্যবস্থায় হুমকি বাড়ার বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছিল সুইফট। সেসময় সুইফট বলেছিল, সাইবার হামলার হুমকি বারবার ঘটে চলেছে, ঘটাতে সক্ষম হচ্ছে এবং সূক্ষ্মভাবে তা করা হচ্ছে।
 
এদিকে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল বলেছিলেন, আর্থিক খাতে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ একটি চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেছিলেন, ইতোমধ্যে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক এর বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজ শুরু করেছে। আর্থিক লেনদেনে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহতভাবে উন্নীতকরণের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরামর্শ দেন তিনি।
 
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রেও ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। এর মধ্যে ২ কোটি ডলার চলে যায় শ্রীলঙ্কা ও ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চলে যায় ফিলিপাইনে। এরই মধ্যে মাত্র ১৪ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন বা এক কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে ঘটনার প্রায় আড়াই বছর পার হয়ে গেলেও বাকি টাকা এখনো উদ্ধার হয়নি।
 
ইত্তেফাক/কেআই 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩