অর্থনীতি | The Daily Ittefaq

‘পদ্মা সেতু ও পায়রা বন্দর দক্ষিণ বাংলার চেহারাই বদলে দেবে’

‘পদ্মা সেতু ও পায়রা বন্দর দক্ষিণ বাংলার চেহারাই বদলে দেবে’
অনলাইন ডেস্ক১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ১৭:৪৮ মিঃ
‘পদ্মা সেতু ও পায়রা বন্দর দক্ষিণ বাংলার চেহারাই বদলে দেবে’
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান বলেছেন, পদ্মা সেতু, পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়নের ফলে দক্ষিণ বাংলার মানুষের ভাগ্যের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দুরদর্শী নেতৃত্বে মেগা প্রকল্পগুলো যেভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে তা নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রাখা গেলে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে যে মাত্রায় উন্নয়ন ঘটবে তার ফলে এই দেশকে চেনাই মুশকিল হবে। সে জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকা দরকার বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। 
 
আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে পটুয়াখালি জার্নালিস্টস ফোরাম আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
 
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই-এর দুজন সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী আকরাম হোসাইন এবং আব্দুল মাতলুব আহমেদ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালি চেম্বার অফ কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মহিউদ্দিন।
 
 
ড. আতিউর বলেন, এশিয়ার গতিময় ত্রিভুজের ঠিক মাঝখানে বাংলাদেশের অবস্থান। এক দিকে ভারত, অন্য দিকে চীন এবং তৃতীয় দিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। আমাদের বাড়ন্ত স্বদেশী চাহিদা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক চাহিদা মেটানোর জন্য দেশি শিল্প ও বিদেশি বিনিয়োগ নির্ভর যে শিল্পায়ন ঘটবে তাতেই বাংলাদেশের চেহারা অভাবনীয়ভাবে বদলে যাবে। দিন বদলের এক দশক পরে আমরা লক্ষ্য করছি, দেশ ঠিক পথেই এগুচ্ছে। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সাথে পায়রা বন্দরকে যুক্ত রাখা গেলে দক্ষিণ বাংলার উন্নয়ন ঠেকায় কে? পদ্মা সেতু এবং পায়রা বন্দর পুরোপুরি চালু হবার পর দক্ষিণ বাংলা জিডিপিতে ১.২ শতাংশ যোগ করবে। অসংখ্য মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য ও ভ্রমণ করতে কুয়াকাটা যাতায়াত করবেন। তখন সাগর কন্যা পটুয়াখালির মাথার মণি কুয়াকাটার পর্যটন গুরুত্ব কতোটা বাড়বে তা আমরা এখন অনুমানও করতে পারছি না।
 
সেজন্য এ অঞ্চলের প্রস্তাবিত অবকাঠামো দ্রুত গড়ে তোলার আহ্বান জানান ড. আতিউর। তিনি আরও বলেন, পায়রা বন্দর শুধু বাংলাদেশ নয়। ভারত, ভুটান ও নেপালেল জন্যও আশীর্বাদ হিসেবে আবির্ভূত হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন এই উন্নয়নের সুফল গরীব ও প্রান্তজনেরাও ভোগ করতে পারেন। এসএমই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ওপর জোর দিয়ে তাদের জন্য কর্মসংস্থান ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে অর্থায়ন সহযোগিতা বাড়াতে হবে। চেম্বার ও গণমাধ্যম সরকারকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিকল্পিত উন্নয়নকে পক্ষে রাখার জন্য নৈতিক চাপ দিয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 
 
সব শেষে তিনি বলেন, আশার ক্ষেত্রটি বড় করতে পারলে নিশ্চয়ই দক্ষিণ বাংলাসহ পুরো বাংলাদেশ আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে। এ যাত্রা হবে অপ্রতিরোধ্য।
 
ইত্তেফাক/কেকে
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৯ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫২
মাগরিব৫:৩৩
এশা৬:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৮