সারাদেশ | The Daily Ittefaq

শের-ই বাংলার চাখার ১০ শয্যা হাসপাতালের অবস্থা বেহাল

শের-ই বাংলার চাখার ১০ শয্যা হাসপাতালের অবস্থা বেহাল
বানারীপাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা২০ জুন, ২০১৭ ইং ০৩:২২ মিঃ
শের-ই বাংলার চাখার ১০ শয্যা হাসপাতালের অবস্থা বেহাল

শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের স্মৃতি বিজড়িত বানারীপাড়ার চাখার ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের অবস্থা বেহাল হয়ে পড়েছে। ভবন, চিকিত্সক ও নার্সদের কোয়ার্টার দুটি জরাজীর্ণ। ছাদ থেকে খসে পড়া কংক্রিট আর প্ল­াস্টারের হাত থেকে রক্ষা পেতে ডাক্তার, নার্স আর রোগীদের সব সময় তটস্থ থাকতে হয়। হাসপাতালের মূল ভবনের ভগ্নদশা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা ধসে পড়ে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলার বাঘ খ্যাত শের-ই বাংলা আবুল কাসেম ফজলুল হককে কেন্দ্র করে ব্রিটিশ শাসন আমলে উপজেলার অজো পাড়া গাঁ চাখার গ্রামে গড়ে উঠেছিল শহর সাদৃশ্য এলাকা। সেখানে ১৯৪০ সালে চাখার ফজলুল হক কলেজ স্থাপিত হওয়ায় পুরো দক্ষিণাঞ্চলের লেখাপড়ার কেন্দ্রবিন্দু ছিল চাখার। একটি শহরের আদলে গড়া চাখারে গড়ে উঠেছে বালক ও বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। রয়েছে ডাকবাংলো, পুলিশ ফাঁড়ি, বিদ্যুত্ কেন্দ্র, সাবরেজিষ্ট্রি অফিস, ডায়াগনোষ্টিক সেন্টার, ব্যাংক, বীমা, এনজিও অফিস ও  শের-ই বাংলা স্মৃতি যাদুঘর। বানারীপাড়া উপজেলা সদরে গাড়ি পৌঁছার আগেই চাখার থেকে গাড়ি চলাচল শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আশির দশকের গোড়ার দিকে চাখারে  প্রতিষ্ঠা করা হয় ১০ শয্যার একটি হাসপাতাল। সেই হাসপাতালের দ্বিতল ভবনটির বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল, খসে পড়ছে প্লাষ্টার, সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ থেকে চুইয়ে পানি পড়ে একাকার হয়ে যায়। এরই মধ্যে চলছে চিকিত্সা কার্যক্রম।

হাসপাতালে দুইজন এমবিবিএস চিকিত্সক, একজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার এবং দুইজন নার্স রয়েছেন। আছে খাদ্য সরবরাহকারী ঠিকাদার। ভবনের যা অবস্থা তাতে কোনো রোগী রাখা যায় না। যার কোথাও যাওয়ার উপায় থাকে না তারাই বাধ্য হয়ে এখানে ভর্তি হন। বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবকুমার সমদ্দার জানান, চাখারের হাসপাতাল ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তারা ছবি তুলে প্রতিবেদন দিতে বলায় তাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এটাকে মেরামত করানোর জন্য  বলেছেন। ওই ভবন মেরামত করানোর কোনো মানে হয় না। তিনি এটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৭ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৫:১৩
যোহর১১:৫৫
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৮
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৪সূর্যাস্ত - ০৫:১৩