সারাদেশ | The Daily Ittefaq

মিরসরাইয়ের রূপসী ঝর্ণা আকৃষ্ট করছে পর্যটকদের

মিরসরাইয়ের রূপসী ঝর্ণা আকৃষ্ট করছে পর্যটকদের
মিরসরাইয়ের রূপসী ঝর্ণা আকৃষ্ট করছে পর্যটকদের


মিরসরাইয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিস্ময় রূপসী ঝর্ণা। প্রতিদিন এই ঝর্ণা দেখতে ঢল নামছে পর্যটকদের। সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝর্ণার ছবি দেখে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে প্রতিনিয়ত। উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের বড়কমলহ এলাকার আঁঁকাবাঁকা গ্রামীণ সবুজ শ্যামল মেঠো পথ পার হয়ে পাহাড়ের পাদদেশে গেলেই দেখা মেলবে এই ঝর্ণার।

রূপসী ঝর্ণা দেখতে যাওয়ার পথে দৃষ্টিনন্দন ছড়া, পাহাড়, সবুজ প্রকৃতি, তিনটি ভিন্ন ভিন্ন অপরূপ ঝর্ণা রূপসীর সৌন্দর্য্যকে অন্য ঝর্ণা থেকে আলাদা করেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর ঝর্ণার মায়াবি রূপ দেখে স্থানীয় লোকজন এই ঝর্ণার নাম দিয়েছে রূপসী ঝর্ণা।  রূপসী ঝর্ণার তিনটি ধাপ রয়েছে। বড়  কমলদহ ঝর্ণা, ছাগলকান্দা ও পাথরভাঙ্গা ঝর্ণা। প্রথম ধাপটা বড় একটি ঝর্ণার মতো। অনেকটা খাড়া তবে ঢালু। বর্ষায় পুরো ঝর্ণা বেয়ে পানি পড়ে। শুষ্ক মৌসুমে শুধু দক্ষিণ দিকটায়। ভেতরের রূপ আরো বেশি সুন্দর। উপরে উঠলে খোলা একটা জায়গা। তারপর একটা বড় পাথর। এই পাথরের মাঝ দিয়ে অনবরত পানি ঝরছে। দশ ফুটের খাড়া পাথরটি বেয়ে উঠতে পারলেই এবার অন্যরকম এক সৌন্দর্য। বিশাল ছড়া, তবে বেশ আঁঁকাবাঁকা। ঠিক বয়ে চলা কোন নদীর মতো।

ওয়াহেদপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল কবির ফিরোজ বলেন, পরিকল্পিত কিছু উদ্যোগ নেওয়া গেলে দেশি বিদেশি পর্যটকদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে এই ঝর্ণা।

রূপসী ঝর্ণায় যাওয়া যাবে যেভাবে

বাস যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের বড়দারোগাহাট বাজারে নামতে হবে। সেখান থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা যোগে বাজারের উত্তর পাশের ব্রিকফিল্ড সড়ক দিয়ে পাহাড়ের পাদদেশ পর্যন্ত পথ। এরপর পায়ে হেঁটে ঝর্ণাস্থলে যাওয়া যাবে। অথবা যে কোন বাস থেকে ব্রিকফিল্ড সড়কের মাথায় নেমে আধা কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটেও যাওয়া যায়।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং
ফজর৫:১৩
যোহর১২:১৩
আসর৪:১৯
মাগরিব৫:৫৯
এশা৭:১২
সূর্যোদয় - ৬:২৯সূর্যাস্ত - ০৫:৫৪