সারাদেশ | The Daily Ittefaq

উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের বহু এলাকা ফের প্লাবিত

উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের বহু এলাকা ফের প্লাবিত
বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি, রেল ও সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত
ইত্তেফাক ডেস্ক১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং ০১:৩১ মিঃ
উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের বহু এলাকা ফের প্লাবিত

ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানি অস্বাভাবিক বাড়ছে। ১৭ টি পয়েন্টে পানি বিদপসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। স্বল্প ব্যবধানে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও রংপুর জেলার বহু এলাকা আবারো প্লাবিত হয়েছে। কয়েকটি জেলায় বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি লোকালয়ে ঢুকছে। পানিবন্দি মানুষ ভীষণ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। দুর্গত মানুষ শহর রক্ষা বাঁধ, স্কুল-কলেজসহ উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকার রোপা আমন ক্ষেত ও শাকসবজি পানিতে ডুবে গেছে। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। রেলপথ ও সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় কয়েকটি স্থানে যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটছে। আমাদের অফিস, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:

সিলেট অফিস : সুরমা, কুশিয়ারা, মনু, খোয়াইসহ সব কটি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব এলাকার বহু বাড়িঘর ও আমন ক্ষেত তলিয়ে গেছে।  গতকাল শনিবার ভোরে সুনামগঞ্জের আনোয়ারপুর বাজারের ৫০টি দোকান ঘর ভেঙ্গে মালামাল ঢলের পানিতে ভেসে গেছে। বড়ছড়া শুল্ক স্টেশনে পাহাড়ি ছড়া দিয়ে ঢলের পানি নেমে শতাধিক কয়লার ডিপো প্লাবিত হয়েছে। সিলেটের চার উপজেলার অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

পাহাড়ি ঢলের কারণে সীমান্ত নদী পিয়াইন ও সারি নদীর পানি উপচে গোয়াইনঘাট উপজেলার বেশির ভাগ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিতে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট এবং সারি-গোয়াইনঘাট সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। কানাইঘাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

সুনামগঞ্জ : জেলার ২৮৫টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে পানি উঠে যাওয়ায় সকল ধরনের পরীক্ষা ও শ্রেণীকার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কূল উপচে বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সীমান্ত নদী যাদুকাটা, চেলা, চলতি নদীর পানিও বেড়ে জেলার তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও দোয়ারাবাজারের কয়েক শ’ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উপজেলার আনোয়ারপুর-ওয়েজখালী সড়কের তিন স্থানে ভেঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) : টানা বৃষ্টিতে কমলগঞ্জের ধলাই, লাঘাটা নদীর পানি বেড়ে নদী কানায় কানায় পূর্ণ হয়েছে। কেওলার হাওর, মকাবিলসহ নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে আমনের চারাও ডুবে গেছে।

হবিগঞ্জ : খোয়াই নদীর পানি বিপদসীমার ২১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর উত্পত্তিস্থল ভারতে ভারী বর্ষণ হওয়ায় এবং  বাংলাদেশেও শুক্রবার থেকে প্রবল বৃষ্টিপাত হওয়ায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

দিনাজপুর অফিস : সদর উপজেলায় আত্রাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে আশপাশের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। ঘোড়াঘাট উপজেলার রানীগঞ্জে তলিয়ে গেছে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়ক। এতে যানচলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। দিনাজপুর সদর, বিরল, খানসামা, বীরগঞ্জ, পার্বতীপুর উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। হিলি স্থলবন্দরে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম।

গাইবান্ধা : জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদ-নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে।  পলাশবাড়ী উপজেলার টেংরা, গনেশপুর, চেরেঙ্গা, গোবিন্দগঞ্জের রাখালবুরুজ ইউনিয়নের শ্যামপুর ও ফুলবাড়ী ইউনিয়নের সাতারপাড়া, হাতিয়াদহ এবং বিশপুকুর এলাকায় করতোয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের নিচের স্লোপ ধসে যাওয়ার এখন বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।

VvKziMvuI: ZwjGq ˆMGQ VvKziMvuIGqi 5 DcGRjvi KGqK nvRvi Ni-evwo, weËR I KvjfvUÆ| Uvãbmn ˆRjvi wewf®² b`xi cvwb wec` mxgvi Ici w`Gq cÉevwnZ nGœQ| gvbylG`i AvkÉq ˆKG±`Ë ˆbIqvi RbÅ cÉkvmb I dvqvi mvwfÆm KvR KiGQ| `yMÆZG`i D«¬vGi ˆmbvevwnbxi mnGhvwMZv PvIqv nGqGQ|

লালমনিরহাট : তিস্তার পানির তীব্র  স্রোতে হাতীবান্ধা উপজেলার দুমকি বাঁধ এবং  সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নে ধরলা নদীর স্রোতে বুমকা বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) : উপজেলার ধরলা, তিস্তা, সানিয়াজান, টেংনামারী, শিংগীমারী, চেনাকাটা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে তলিয়ে গেছে সংলগ্ন এলাকা।  বুড়িমারী ইউনিয়নে বুড়িমারী স্থলবন্দর বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় আমদানি- রফতানি বন্ধ রয়েছে। পাটগ্রামের ইউএনও জানান, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) : তিস্তা ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে দেওয়ায় প্রচন্ড বেগে পানি ভাটিতে প্রবেশ করছে। ফলে লালমনিরহাট জেলার তিনটি উপজেলা কালীগঞ্জ, হাতিবান্ধা ও আদিতমারির চরাঞ্চলসসহ নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে লক্ষাধিক পরিবার  পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, তিস্তাসহ সবকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে আবারো বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ধরলা নদী পানি উপচে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মধ্যকুমোরপুর এলাকায় রাস্তার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে ৩টি উপজেলার মানুষজনের।

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) : উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের সোনাইকাজী ও রামপ্রসাদ গ্রামের সংযোগস্থলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে ধরলা নদীর পানি হু হু করে লোকালয়ে প্রবেশ করছে। হুমকির মুখে রয়েছে গোরকমন্ডল, চর গোরকমন্ডল বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ। বানভাসী মানুষ গরু- ছাগল নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও উচুঁ এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) : ভূরুঙ্গামারীতে বন্যায় ১০টি ইউনিয়নের ৪০টি গ্রামের প্রায় ৭০ হাজার লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। উপজেলার শিলখুড়ি সীমান্তে ভারতের তুফানগঞ্জে কালজানি নদীর উপর নোটাফেলা বাঁধ খুলে দেয়ায় ঐ ইউনিয়নের কাজিয়ার চর উত্তর ধলডাঙ্গা, দক্ষিণ তিলাই গ্রাম তলিয়ে গেছে।

ভোলা: ভারী বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভোলা সংলগ্ন মেঘনা, তেঁতুলিয়া ও ইলিশা নদীতে পানির প্রবাহ বেড়েছে। গতকাল মেঘনায় বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার  উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ : যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদী তীরবর্তী অনেক নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নজরদারিতে রেখেছে।

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) : নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই, চেল্লাখালি নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার মধ্য রাতে ভোগাই নদীর হাতিপাগার, নয়াবিল, শিমুলতলা, পৌরবাসস্ট্যান্ড, নীচপপাড়া, খালভাংগা, নিজপাড়া এলাকায় এবং চেল্লাখালি নদীর গোল্লাপাড় এলাকায় কমপক্ষে ১১ টি স্থানে নদীতীর রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করে। এতে পৌরসভাসহ ৬টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) : উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের অধিকাংশ বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। শতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। উপজেলার খারনৈ, রংছাতি ও নাজিরপুর ইউনিয়নের ৩টি পাকা সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

রাঙ্গামাটি : বাঘাইছড়ির উপজেলার কাচালং নদীর পানির প্রবাহ বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পৌর এলাকাসহ বাঘাইছড়ির ৫টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় প্রায় দেড় হাজার লোককে ৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় রাঙ্গামাটির পর্যটনের ঝুলন্ত সেতু পানিতে তলিয়ে গেছে।

অতিবর্ষণে পাহাড় ধসের আশংকায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতকবার্তা জারি করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে রাস্তায় মাটি নেমে আসায় যানবাহনের  স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।

পঞ্চগড় : ভারী বর্ষণ ও উজানের পানিতে পঞ্চগড় শহরসহ পাঁচ উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। শহরের করতোয়া, মহানন্দা, ডাহুক, ভেরসাসহ জেলার সবকটি নদীর পানি বেড়েছে। জেলা শহরসহ বেশ কিছু এলাকার মানুষ বিভিন্ন স্কুল কলেজে আশ্রয় নিয়েছে। পানিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পঞ্চগড় সদর ও তেঁতুলিয়া উপজেলায়। তেতুলিয়া উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের ভেরসা নদীর ওপর নির্মিত ভেরসা প্রকল্পের একটি গেট ভেঙ্গে গেছে। পঞ্চগড় রেল লাইনের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

আটোয়ারী (পঞ্চগড়) : কয়েক দিনের টানা বর্ষনে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এদিকে রেলপথ ডুবে যাওয়ায় ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়ের মধ্যে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। রেলপথের নয়নীবুরুজ এলাকায় প্রায় ২ কিলোমিটার রেলপথ পানির নিচে ডুবে যাওয়ায়  ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।   ফলে সারাদেশের সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে।  উপজেলার প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র ফকিরগঞ্জ বাজারের ভিআইপি রোড ও গরুহাটি এলাকাসহ গোটা উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

গোটা উপজেলার প্রায় ২০টি রাস্তা ভেঙ্গে উপজেলা সদরের সাথে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

নীলফামারী : ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তাসহ জেলার সব কটি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রায় ২০ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।  কৃষকদের মতে জেলার ৫০ হাজার হেক্টর আমন ধানের জমি তলিয়ে গেছে। কৃষি বিভাগের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানান প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

জামালপুর : জামালপুরে যমুনার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। শনিবার বাহাদুরাবাদঘাট পয়েন্টে যমুনার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ১১ সেন্টি মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

পীরগাছা (রংপুর) : উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বসত-ভিটা পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘন্টা থেকে উপজেলায় বিদ্যুত্ সরবরাহ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৪০টি মত্স খামার পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

কাউনিয়া (রংপুর) : পানিতে প্লাবিত হয়েছে উপজেলার কয়েক’শ মত্স্য খামার। চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১৫হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। সেগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৫:১২
যোহর১১:৫৪
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৫
সূর্যোদয় - ৬:৩৩সূর্যাস্ত - ০৫:১২