সারাদেশ | The Daily Ittefaq

রোগী ভাগিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে

রোগী ভাগিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে
পরীক্ষা-নিরীক্ষা সবই হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে
আবুল খায়ের৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং ২৩:২৫ মিঃ
রোগী ভাগিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে

রাজধানীসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালের সামনে ও আশপাশে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। আর এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত দালালরা সরকারি হাসপাতালের রোগীদের ভাগিয়ে নিচ্ছে। তবে ভাগিয়ে নেওয়া রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ সব করা হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে। আর এ ব্যবসায় ভাগাভাগির এক অংশ নিয়মিত পাওয়ায় স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসন নিরব থাকেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালে চিকিত্সা নিতে আসা রোগীদের নিয়ে বাণিজ্য করে অধিকাংশ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ও দালালরা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। রোগী ভাগিয়ে নিয়ে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে নানা কলা কৌশলে টাকা আদায় করেন। নামমাত্র সেবা প্রদান করে হাতিয়ে নেওয়া হয় বড় অঙ্কের টাকা। অযথা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে এবং ভর্তি থেকে শুরু করে রোগী রিলিজের দিন পর্যন্ত একাধিক বিষয়ের উপর বিল তৈরি করা হয়। কেউ কেউ যদি টাকা পরিশোধ করতে না পারেন তবে রোগী আটকে রেখে হয়রানি করা হয়।

এদিকে সরকারি হাসপাতালে এক্সরে, সিটিস্ক্যান, এমআরআই, আলট্রসনোগ্রাম, ইসিজিসহ সব পরীক্ষা নিরীক্ষাই আছে। কিন্তু শুধু কমিশন খাওয়ার লোভে এক শ্রেণির ডাক্তাররা রোগীদের সরকারি হাসপাতালের আশপাশের বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকে পাঠান।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত সোহরাওয়ার্দী, কিডনি, পঙ্গু, হূদরোগ, চক্ষু, নিউরোসায়েন্স ও শিশু হাসপাতালকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদপুরের বাবর রোড ও এর আশপাশের অলিগলিতে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। সড়কের দু’পাশে শুধু হাসপাতাল আর হাসপাতাল। আধাকিলোমিটার রাস্তায় সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ৬০টি হাসপাতাল। শত শত রোগী আর দালালে গিজগিজ করে ওই এলাকা। এসব সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের দিকে দৃষ্টি থাকে ওই এলাকার বেসরকারি হাসপাতালগুলোর। এজন্য নিয়োগ করা হয়েছে দালাল। রোগী ধরার ফাঁদ পেতে বসে থাকে দালালরা।  ওই এলাকার বেসরকারি হাসপাতালগুলোর নিজস্ব মার্কেটিং প্রতিনিধি আছে। যারা বেতন হিসেবে আবার কমিশন হিসেবে কাজ করেন। তারাই মূলত রোগী সংগ্রহের কাজ করেন এবং তাদের মার্কেটিংয়ের জন্য প্রসিদ্ধ জায়গা হচ্ছে শেরেবাংলা নগরে গড়ে উঠা বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল। মার্কেটিং প্রতিনিধিরা সকাল থেকেই সরকারি হাসপাতালে শুরু করেন জটলা। চলে গভীর রাত পর্যন্ত। এক দুই জন নয়। অন্তত কয়েকশ’ প্রতিনিধি। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মিডফোর্ট হাসপাতাল, মহাখালীর বক্ষব্যাধি হাসপাতাল ও ক্যান্সার হাসপাতালের আশপাশের পরিস্থিতিও একই। ওই এলাকায়ও রয়েছে বেশ কিছু সংখ্যক বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। দালালরা রোগী ভাগানোর প্রতিনিধি নামে পরিচিত। রীতিমত প্রতিযোগিতা শুরু করেন তারা। লোভনীয় অফার আর হয়রানি। চলে টানা হেঁচড়াও। অসহায় রোগী আর তাদের অভিভাবকরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাদের ফাঁদে আটকা পড়েন। হাসপাতালে ভর্তি করার পর শুরু হয় অন্যরকম হালচাল। টাকা আদায়ের যত কলা-কৌশল। চিকিত্সার বালাই নাই। উল্টো আদায় করা হয় বিভিন্ন অজুহাতে বড় অঙ্কের টাকা। আর এই চিকিত্সা সেবার ভার বহন করতে গিয়ে অনেকেই হারিয়েছেন মূল্যবান অনেক কিছু। এসব অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালালেও তাদের অসাধু কার্যক্রম বন্ধ করা যাচ্ছে না। ফলে স্থানীয় প্রভাবশালীর এসব সিন্ডিকেটের অবৈধ চিকিত্সা বাণিজ্য চলছেই। এ সকল বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অধিকাংশের কোনো অনুমোদন নেই। আর এগুলোর তদারকি করার দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) এর অধীনে একটি ভিজিলেন্স টিম রয়েছে। এই টিমের সঙ্গে ওই সমস্ত দালাল নির্ভর বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের যোগাযোগ রয়েছে। কর্মকর্তারাও পাচ্ছেন নিয়মিত উেকাচ। এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। এ কারণে ওই ভিজিলেন্স টিমের কার্যক্রম প্রায় বন্ধ।

শুধু তাই নয়, এসব বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সেবার মান নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চড়া ফি দিয়েও এসব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে মানসম্পন্ন চিকিত্সা পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। এছাড়া এদের ব্যবস্থাপনায়ও রয়েছে অনেক অনিয়ম। নেই নিজস্ব চিকিত্সক। আবার চিকিত্সক না হয়েও ভুয়া সনদ তৈরি করে এসব হাসপাতালে-ক্লিনিকে চিকিত্সা দিচ্ছেন অনেকে। বিভিন্ন সময়ে এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে। দালালদের মাধ্যমে সুস্থ হওয়ার আশায় এসব প্রতিষ্ঠানে এলেও রোগীর মৃত্যুর ঝুঁকি কমে না; বরং বাড়ে।

সরকারি হাসপাতালগুলোর পরিচালকরা জানান, আমাদের মুখ খোলার মতো কোনো সুযোগ নাই। কারণ রোগী ভাগানোর প্রতিনিধিরা প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কাজ করে।

চট্টগ্রাম অফিস জানায়, চট্টগ্রামে প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোতে প্রসূতিদের সিজারিয়ান করতে গলাকাটা অর্থ আদায় করা হচ্ছে। একটি সিজারিয়ানে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা আদায় করা হয়। চিকিত্সক টিমে থাকে ৪ জন সদস্য। একটি সিজিয়ানে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে। আদায়কৃত টাকার মধ্যে চিকিত্সকের মান অনুযায়ী ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা শুধুমাত্র চিকিত্সক টিমকে পরিশোধ করতে হয়। বাকি টাকা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ওষুধ, ওটি চার্জ ও কেবিন বাবদ আদায় করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে দু’টি সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। আর চট্টগ্রাম জেলায় উপজেলা সদরগুলোতে ৫০ ও ৩১ শয্যার ১৬টি সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। উপজেলা সরকারি হাসপাতালগুলোতে সিজারিয়ানের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নেই। ফলে উপজেলা সদর ও নগরীর সরকারি হাসপাতালগুলোর আশপাশে গড়ে উঠেছে অসংখ্য প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতাল। সবচেয়ে বেশি প্রাইভেট ক্লিনিক রয়েছে চট্টগ্রাম মেডিক্যালের আশপাশে। এখানে চট্টগ্রাম মেডিক্যালের গাইনি বিভাগের চিকিত্সকরা প্রসূতিদের সিজারিয়ান করে থাকে। তারা প্রাইভেট চেম্বারে আসা প্রসূতিকে নির্দিষ্ট ক্লিনিকে সিজারিয়ানের জন্য উদ্বুদ্ধ করে। চট্টগ্রাম মেডিক্যালের অতি নিকটে রয়েছে প্রায় ২৫টির মতো ছোট-বড় প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতাল। এখানে নামি-দামি অনেক প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সবগুলোতে প্রসূতিদের ডেলিভারির ব্যবস্থা রয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যালে আসা অনেক প্রসূতিকে ভাগিয়ে নিচ্ছে প্রাইভেট ক্লিনিক হাসপাতালের দালাল চক্র।

সিলেট অফিস জানায়, বৃহত্তর সিলেটের সর্বোচ্চ সরকারি চিকিত্সা কেন্দ্র সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। প্রতিদিন এখানে কয়েক হাজার রোগী এসে থাকেন সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে। এক শ্রেণির দালাল ও কর্মচারীরা হাতিয়ে নিচ্ছে আগত নিরীহ রোগীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা। তারা নানা কৌশলে রোগীদের কাছ থেকে অবৈধ ভাবে টাকা কামিয়ে নেয়। বিশেষ করে বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মাধ্যমে বিরাট অংকের কমিশন ভোগ করে থাকে। একশ্রেণির কর্মচারীরা সরকারি বহুমূল্যবান মেশিন পত্র নষ্ট করে রেখে দেয়। যাতে রোগীরা সেবা নিতে বাধ্য হয় প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্র বলে, ‘কর্মচারী কেন অনেক ডাক্তারও অনেক সময় প্রাইভেট ক্লিনিক বা হাসপাতালে চিকিত্সা নিতে প্ররোচিত করে থাকেন।’

সিলেটে সরকারি হাসপাতালের আশপাশে প্রচুর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতাল গড়ে উঠেছে, বেশ দূরে ও কাছেও। এসব অনেক ক্লিনিক ও হাসপতালকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির দালাল চক্র প্রতিনিয়ত হাতিয়ে নিচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা। এ চক্রের খপ্পরে পড়ে গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলো চিকিত্সার নামে হাজার হাজার টাকা খোয়াচ্ছেন। এসব ক্লিনিকে বেশিরভাগ অপরেশনের রোগী থাকেন। এসব গলাকাটা হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি উঠেছে।

বরিশাল অফিস জানায়,  বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সদর (জেনারেল) হাসপাতালের সামনে সড়কের দু’পাশে একাধিক ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। এ দু’টি সরকারি হাসপাতালের চিকিত্সক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে গড়ে ওঠা এসব ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিকে রোগীদের জিম্মি করা হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালের যন্ত্রপাতি বিকল দেখিয়ে অসাধুরা তাদের মালিকানাধীন ডায়াগনস্টিক, ক্লিনিক চালাচ্ছে। শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে রয়েছে ১২টি ডায়াগনস্টিক। এসব ডায়াগনস্টিকের সাথে হাসপাতালের লোকজন জড়িত থাকায় এ ব্যবসা বন্ধের কোনো উদ্যোগ নেই। শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী স্বল্প খরচে চিকিত্সা নিতে আসে। কিন্তু চিকিত্সকরা ব্যবস্থাপত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য লিখে দেয়। চিকিত্সকদের কম্পাউন্ডরা কমিশন ভিত্তিতে চিকিত্সকের মনোনীত ডায়াগনস্টিকে নিয়ে রোগীদের সর্বস্ব কেড়ে নেয়া হয়। এরপর তাদের ব্যবস্থাপত্রে ওষুধ লিখে দিয়ে নিজেদের মনোনীত ফার্মেসির কার্ড ধরিয়ে দেয়। এসব ফার্মেসিতেও রয়েছে চিকিত্সক ও তাদের কম্পাউন্ডের কমিশন বাণিজ্য।

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালকে ঘিরে গজিয়ে উঠেছে ব্যাঙের ছাতার মতো অসংখ্য ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এগুলোর বেশির ভাগই নিম্নমানের এবং দালালনির্ভর। এসব ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকে রোগীরা নিজের ইচ্ছায় আসেন না। বেশির ভাগ রোগী রামেক হাসপাতালে চিকিত্সা করাতে এসে দালালের খপ্পরে পড়ে নিম্নমানের ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকে গিয়ে প্রতারিত হচ্ছে। চিকিত্সার নামে চলছে রমরমা দালাল ব্যবসা। প্রতিনিয়ত শত শত রোগী প্রতারণার শিকার হলেও তা বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেই স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের।

শুধুমাত্র মহানগরীতেই আছে শতাধিক। নগরীর রামেক হাসপাতালের পশ্চিম প্রান্তের সীমানা ঘেঁষা লক্ষ্মীপুর মোড়ের চারপাশের রাস্তার দুই ধারে বাড়িতে বাড়িতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার দেখ-ভালের দায়িত্বে থাকা রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. সঞ্জিত কুমার সাহা বলেন, দালাল দেখা তাদের পক্ষে সম্ভম নয়। ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক মানসম্মত কি না সেটা তারা পরিদর্শন করেন। তবে কোনো ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান সিভিল সার্জন।

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এমন বেহাল অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কয়েক দফা একটি নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা আর আলোর মুখ দেখিনি। সরকারি হাসপাতালের আশপাশের একটা নির্দিষ্ট এলাকা পর্যন্ত কোনো বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক থাকতে পারবে না এমন বিধান জারি জরুরি বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। এভাবে চলতে পারে না। অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩০
যোহর১১:৫৩
আসর৪:১৭
মাগরিব৬:০২
এশা৭:১৫
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৭