সারাদেশ | The Daily Ittefaq

মহারশি নদী ভাঙনের মুখে সন্ধ্যাকুড়া ও শালচুড়া গ্রাম

মহারশি নদী ভাঙনের মুখে সন্ধ্যাকুড়া ও শালচুড়া গ্রাম
ঝিনাইগাতী (শেরপুর) সংবাদদাতা১৪ জানুয়ারী, ২০১৮ ইং ০১:৪৮ মিঃ
মহারশি নদী ভাঙনের মুখে সন্ধ্যাকুড়া ও শালচুড়া গ্রাম

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলনের ফলে সন্ধ্যাকুড়া ও শালচুড়া গ্রাম ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রামেরকুড়া গ্রামের সামিউল ফকির ২০০৫ সালে মহারশি নদী থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করেন। ওই রিট পিটিশনের আলোকে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজস্ব পরিশোধ-সাপেক্ষে মহারশি নদী থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়ে স্থিতিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশ বলেই সামিউল ফকির গত একযুগ ধরে বালু উত্তোলন করে আসছেন। সামিউল ফকিরের লোকজন গোমড়া, সন্ধ্যাকুড়া, হলদিগ্রাম, ফাকরাবাদ ও আশপাশের এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, এখান থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪০-৫০ ট্রাক বালু উত্তোলন করা হয়। প্রতি ট্রাক বালু বিক্রি করা হয় আট থেকে ৯ হাজার টাকায়। এতে প্রতিদিন গড়ে তিন-চার লাখ টাকা মূল্যের বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এলজিইডির প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মহারশি নদীর সন্ধ্যাকুড়া ব্রিজ ছাড়াও দুটি গ্রাম নদী ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে। তাই দুই গ্রামের লোকজন এখন দুশ্চিস্তায় দিশেহারা।

স্থানীয় সাইফুল ইসলাম, শাহজাহান, শাহ আলমসহ গ্রামবাসী অবিলম্বে ওই দুটি গ্রাম নদী ভাঙনের কবল থেকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ দিকে সামিউল ফকির বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে রাজস্ব পরিশোধ-সাপেক্ষেই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার বলেন, ‘হাইকোর্টে মামলাটির যাতে জরুরি ভিত্তিতে নিষ্পত্তি হয় সে বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২২ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৪৪
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩০
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৫