সারাদেশ | The Daily Ittefaq

মানিকগঞ্জে প্রকৈাশলী ছাত্র টারকি মুরগী খামার করে স্বাবলম্বী

মানিকগঞ্জে প্রকৈাশলী ছাত্র টারকি মুরগী খামার করে স্বাবলম্বী
শহিদুল ইসলাম সুজন, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং ১৭:৪৩ মিঃ
মানিকগঞ্জে প্রকৈাশলী ছাত্র টারকি মুরগী খামার করে স্বাবলম্বী
মানিকগঞ্জে টারকি মুরগীর খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন প্রকৌশলী পড়ুয়া ছাত্র তোফাজ্জল হোসেন। তিনি সদর উপজেলার জয়রা গ্রামের এনপিআই ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর ছাত্র বিএসসি ৩য় বর্ষের ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্সের ছাত্র। শখের বশে ৩টি টারকি মুরগী দিয়ে তার খামারটি প্রথমে শুরু করেন। ১১ হাজার টাকায় ৩টি মুরগী ক্রয় করেন। বর্তমানে তার খামারে বাচ্চা সহকারে ২৬০টি মুরগী রয়েছে। প্রতি মাসে ২০০ কেজি মুরগী ঢাকাসহ আশেপাশের বাজারে বিক্রি করেন। খরচ বাদে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা এই খামার থেকে লাভ হয় বলে জানা গেছে। 
 
টারকি খামারের মালিক মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ২০১৭ সালে এ খামারটি ৩টি টারকি মুরগি দিয়ে শুরু করি। ইউ-টিউবে টারকি মুরগি সম্পর্কে জানতে পেরে আমার টারগি মুরগী পালন করতে শখ জাগে। পরবর্তীতে ১১ হাজার টাকায় ৩টি টারকি ক্রয় করে আমি খামারটি শুরু করি। ছোট পুঁজি দিয়ে শখের বশে খামারটি শুরু করেছিলাম। বর্তমানে আমার খামারে ২৬০ টি টারকি মুরগী রয়েছে।  
 
তিনি বলেন একটি টারকি মুরগী বছরে ৮০ থেকে ১২০ টি ডিম দেয়। তিনি আরও বলেন, ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর একটি মেশিনও ক্রয় করেছেন তিনি। বাচ্চা টারকি ও বড় টারকি মুরগীর জন্য আলাদা আলাদা জায়গা করা হয়েছে। এসব মুরগীদের খাদ্য হিসেবে দেয়া হয় কচুরীপানা, গম ও ভূট্টা। এখানে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোও হয়। ১দিন বয়সী টারকি মুরগী ২৫০ টাকায় এবং ১ মাস বয়সী টারকির মূল্য ৬০০ টাকায় বিক্রয় করা হয়। মানিকগঞ্জ বাজারগুলোতে কেজি প্রতি ৫০০ টাকা করে টারকির মাংস বিক্রি করা হয়। বর্তমানে তার খামারে ৩ লক্ষ টাকারও বেশি মূলধন রয়েছে। 
তিনি বলেন, লেখাপড়ার পাশা-পাশি আমি এ টারকি খামার করছি। এ খামার থেকে এখন আমার ভাল একটা আয় হচ্ছে। যা দিয়ে আমি লেখাপড়ার খরচের চাহিদা মিটিয়েও বাড়তি টাকা সঞ্চয় করতে পারছি। এ ছাড়া এ মুরগী পালন দেশি ও ফার্মের মুরগীর চেয়ে সহজ। দূর্গন্ধও কম হয়।
 
এনপিআই ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর পরিচালক মো. ফারুক হেসেন জানান, তোফাজ্জল  আমার প্রতিষ্ঠান থেকেই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পাশ করেছে। তার এ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।
 
এ ব্যাপারে জেলা  প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ড. মো. ফরহাদুল আলম জানান, লেখাপড়ার পাশাপাশি তার (তোফাজ্জলের)  টারকি মুরগীর খামার করা ভাল একটি উদ্যোগ। তার খামারের উন্নয়ন হয়েছে ভবিষ্যতেও আরো সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সব সময়ই তাদের সহায়তা করছি। সুষ্ঠুভাবে খামার পরিচালনা করার জন্য টারকি মুরগীকে ভেক্সিন ও খামারীদের উপদেশ দেয়া হয় বলে তিনি জানান। এ মাংসে চর্বি নাই পুষ্টিগুণও অনেক ভাল। 
 
ইত্তেফাক/এমআই
 
এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৯ আগষ্ট, ২০১৮ ইং
ফজর৪:১৬
যোহর১২:০৩
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৩২
এশা৭:৪৮
সূর্যোদয় - ৫:৩৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৭