সারাদেশ | The Daily Ittefaq

যমুনা নদীতে নাব্যতা সংকট, নোঙ্গরে ১৩০টি কার্গো

যমুনা নদীতে নাব্যতা সংকট, নোঙ্গরে ১৩০টি কার্গো
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং ১৫:২৩ মিঃ
যমুনা নদীতে নাব্যতা সংকট, নোঙ্গরে ১৩০টি কার্গো
শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই যমুনা নদীর পাঁচটি পয়েন্টে ভয়াবহ আকারে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। এতে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ী নৌবন্দরগামী ইউরিয়া সার, জ্বালানি তেল ও কয়লাবাহী ১৩০টি কার্গো জাহাজ গোয়ালন্দ, পাটুরিয়া ও দৌলদিয়া পয়েন্টে ১ সপ্তাহ ধরে নোঙ্গর করে রাখা হয়েছে।
 
লাইটারেজের মাধ্যমে প্রতিদিন ২/৩টি করে জাহাজ বাঘাবাড়ী নৌবন্দরে পৌঁছুলেও চাহিদার তুলনায় তা নগণ্য। এতে বাঘাবাড়ী নৌবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব মান্টার এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মোল্লার চর, ব্যাটারির চর, মোহনগঞ্জ, কৈটোলা ও চর পেচাকোলা রুটে জাহাজ চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
 
আব্দুল ওহাব মান্টার আরো বলেন, উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ নৌ-চ্যানেলটি সচল রাখতে বিআইডাব্লিউটির চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেও যথা সময়ে এ নৌ-চ্যানেলে ড্রেজিং শুরু না করায় বাঘাবাড়ী নৌবন্দরে এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে শাহজাদপুর সহ উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার কৃষিকার্য। বিশেষ করে চলতি সেচ মৌসুমে ইরি-বোরোর আবাদে প্রয়োজনীয় ডিজেল তেল ও ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
 
বাঘাবাড়ি পোর্ট অফিসার সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ড্রেজিং এর কাজ চলছে ২/৪ দিনের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। বাঘাবাড়ী বন্দরের বাফার গুদামের ইনচার্জ সোলায়মান হোসেন বলেন, নাব্যতা সংকটে বাঘাবাড়ী বন্দরে জাহাজ আসতে পারছে না ঠিকই। আগের মজুদ থেকে সার সরবরাহ অব্যাহত থাকায় এখনো এ অঞ্চলে সারের কোন সঙ্কট দেখা দেয়নি বলে জানান তিনি।
 
এদিকে বাঘাবাড়ী নৌবন্দরের লেবার এজেন্ট আবুল হোসেন ও আব্দুল মজিদ বলেন, নাব্যতা সংকটের কারণে গত দেড় মাস ধরে বাঘাবাড়ী নৌবন্দরে সরাসরি কোন সারবাহী জাহাজ ভিড়তে পারছে না। ফলে বন্দরের স্বাভাবিক কাজ কর্ম ২/৩ গুণ কমে গেছে। এতে লেবাররা চরম আর্থিক লোকসানে পড়েছে।
 
বাঘাবাড়ি নৌবন্দরে লেবার সরদার লুৎফর রহমান বলেন, বাঘাবাড়ী নৌবন্দরে জাহাজ ভিড়তে না পারায় তাদের ৫/৭শ' শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছে। এ মৌসুমে বাঘাবাড়ী নৌবন্দর ঘাটে প্রতিদিন ১২শ' থেকে ১৩শ' শ্রমিক কাজ করতো। এখন মাত্র আড়াইশ' থেকে ৩শ' শ্রমিক কাজ করছে। জাহাজ ভিড়তে না পারায় বেকার বসে থাকা শ্রমিকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম মানবেতর জীবন যাপন করছে।
 
ইত্তেফাক/এসএস
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১