সারাদেশ | The Daily Ittefaq

বিমান দুর্ঘনায় নিহত শশীর মানিকগঞ্জের বাড়িতে শোকের মাতম

বিমান দুর্ঘনায় নিহত শশীর মানিকগঞ্জের বাড়িতে শোকের মাতম
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি১৩ মার্চ, ২০১৮ ইং ২০:৪১ মিঃ
বিমান দুর্ঘনায় নিহত শশীর মানিকগঞ্জের বাড়িতে শোকের মাতম
নেপালে বিমান দুর্ঘনায় নিহত তাহিরা তানভিন শশীর মানিকগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। শশীর বাড়ি শহরের লঞ্চঘাট এলাকায়।
 
তার স্বামী রেজওয়ানুল হক শাওন দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত অবস্থায় নেপালের ওম হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন। তার শরীরের ৪৬ ভাগ পুড়ে গেছে। রেজওয়ানুল হকের বাড়ি জেলার সাটুরিয়া উপজেলার গোপালপুর গ্রামে।
 
শশীর বাবা রেজা মোহাম্মদ জামান পেশায় চিকিৎসক, স্বামী রেজওয়ানুল হকও চিকিৎসক। কিন্তু শশী চেয়েছিলেন আইন ও অপরাধ নিয়ে পড়তে। ইচ্ছা পূরণে তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে ভর্তি হন। এরপর ২০১৭ সালের অক্টোবরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স করার সুযোগ পান তিনি। ইচ্ছা পূরণের খুশিতে নেপাল ভ্রমণের দিনক্ষণ ঠিক করে ফেলেন এই দম্পতি। 
নেপাল যেতে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস-২১১ এর টিকেট কেনেন তারা। যাত্রা শুরুর আগে বিমানবন্দরে নিজেদের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন শশী।  এটাই শশীর তোলা শেষ ছবি। কারণ নেপালের ত্রিভুবন এয়ারপোর্টে অবতরণের জন্য দুপুর ২টার কয়েক মিনিট বেশি সময় ধরে আকাশে চক্কর দিয়ে অবতরণ করতে যাওয়া শশীদের বহনকারী ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজটি ২টা ২০ মিনিটের দিকে বিধ্বস্ত হয়। আনন্দের বদলে নেমে আসে বিভীষিকা। দুর্ঘটনায় মারা যায় শশী। মারাত্মক আহত হন তার স্বামী রেজওয়ানুল হক। শশীর মরদেহ কাঠমান্ডুর টিচিং হাসপাতালে রাখা হয়েছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, শশীর লাশ শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে তার পিতা-মাতা কাঠমান্ডু অবস্থান করছেন।
 
শশী ভ্রমণ করতে পছন্দ করতেন। শশী ও তার স্বামী কয়েকবার নেপালে গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় পুরো জেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
 
ইত্তেফাক/ইউবি

 

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২১ জুন, ২০১৮ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬