সারাদেশ | The Daily Ittefaq

কারাগারে দীপার সঙ্গে এখনো দেখা করেনি সন্তানেরা

কারাগারে দীপার সঙ্গে এখনো দেখা করেনি সন্তানেরা
রংপুর প্রতিনিধি০৮ মে, ২০১৮ ইং ১৯:২৬ মিঃ
কারাগারে দীপার সঙ্গে এখনো দেখা করেনি সন্তানেরা
বামে নিহত আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা ও ডানে তার স্ত্রী দীপা ভৌমিক
রংপুর বিশেষ জজ আদালতের পিপি আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা হত্যা মামলায় এখনো চার্জশিট দেওয়া হয়নি। নিহতের ডিএনএ টেস্ট ও ভিসেরা রিপোর্ট না পাওয়ায় চার্জশিট দিতে দেরি হচ্ছে বলে দাবি পুলিশের। গত ২৯ মার্চ রাতে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে বাবুকে হত্যা করেন তার স্ত্রী দীপা ও প্রেমিক কামরুল।
 
এদিকে নিহত আইনজীবী বাবুর স্ত্রী দীপা ভৌমিককে দেখতে তার দুই ছেলেমেয়ে এখন পর্যন্ত কারাগারে যায়নি বলে জানিয়েছে তাদের স্বজনরা। মামলার আসামি দীপা ভৌমিক ও তার প্রেমিক কামরুল ইসলাম আইনজীবী বাবুকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। তারা দুজনই এখন কারাগারে।
 
কেন মামলার চার্জশিট এখনো দাখিল করা হয়নি- এমন প্রশ্নের জবাবে কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) মুখতারুল ইসলাম জানান, বাবু সোনার ডিএনএ এবং ভিসেরা রিপোর্টের জন্য আলামত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এখনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। রিপোর্ট দুটি পাওয়ার পরই দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।
 
তিনি আরও বলেন, আমরা তদন্তে কোনো ত্রুটি রাখতে চাই না। যেহেতু খুনিদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছেন। মামলার বাদী বাবু সোনার ছোট ভাই সাংবাদিক সুশান্ত ভৌমিক বলেন, আমার ভাই নিহত হওয়ার পর থেকে আমার একমাত্র ভাতিজি আমার কাছেই আছে। সে ক্লাস নাইনে পড়ছে। তার লেখাপড়াসহ সার্বিক দায়িত্ব আমরাই পালন করছি। অন্যদিকে ভাতিজা ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে লেখাপড়া করছে।
 
তিনি আরও বলেন, আমরা কখনই কল্পনা করিনি আমার ভাইকে হত্যা করতে পারে আমার বউদি। এ ঘটনার পর কারাগারে আমাদের স্বজনদের কেউ তার সঙ্গে দেখা করতে যায়নি। এমনকি তার বাবার বাড়ি থেকেও কেউ দেখা করতে গেছে বলে শুনিনি। আমরা দোষীদের কঠোর সাজা চাই।
 
রংপুর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক বলেন, বাবু সোনা জনপ্রিয় এবং খ্যাতিমান আইনজীবী ছিলেন। আমরা চাই মামলার দ্রুত বিচার করে দোষীদের শাস্তি প্রদান করা হোক। একই দাবি জানিয়েছেন রংপুর পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বনমালী পালসহ একাধিক সংগঠনের নেতারা।
 
বাবুকে হত্যার ঘটনায় তার ছোট ভাই সুশান্ত ভৌমিক বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ এ মামলায় দীপা ও কামরুলসহ তাদের দুই ছাত্র সবুজ ও রোকনুজ্জামান এবং বাবু সোনার ব্যক্তিগত সহকারী মিলন মোহন্তকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে মিলন ১৩ এপ্রিল রাতে চিকিৎসাধীন রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন ওয়ার্ডে মারা যান।
 
ইত্তেফাক/এসএস
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩