সারাদেশ | The Daily Ittefaq

আগৈলঝাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ঈদ আনন্দ অনিশ্চিত

আগৈলঝাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ঈদ আনন্দ অনিশ্চিত
আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা১৫ জুন, ২০১৮ ইং ০২:৪৪ মিঃ
আগৈলঝাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ঈদ আনন্দ অনিশ্চিত

আগৈলঝাড়ার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা সরকারি সাহায্য সহযোগিতা না পেয়ে ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। সাহায্য সহযোগিতা না পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছে বাসিন্দারা।

আশ্রয়ণ প্রকল্পটি উপজেলার সীমান্তবর্তী ও দুই ইউনিয়নের মধ্যবর্তী হওয়ায় বাসিন্দাদের সব সময় সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকতে হয়েছে। শুধু মাত্র কয়েকজন প্রতি ঈদের ভিজিএফ চাল পায়। এছাড়া তারা কিছুই পায় না।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় উপজেলার পয়সারহাট নদীর তীরবর্তী বাগধা ও বাকাল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা পয়সারহাট-গোপালসেন মৌজায় আশ্রয়ণ প্রকল্পটির নির্মাণের জায়গা নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহায়তায় ২০০০ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা হয়।

প্রকল্পে ১০টি শেডে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ১০০টি ভূমিহীন ও দুস্থ পরিবার বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৭০টি পরিবার বসবাস করছে বলে জানা গেছে। অপর ঘরগুলো খালি রয়েছে।

কারণ হিসেবে জানা গেছে, প্রকৃত ভূমিহীন যাচাই বাছাই না করে তালিকাভুক্ত করায় ভূমিহীন বাদেও অন্যরা প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ পাওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী ১০টি পরিবারের প্রতিটি শেডে একটি স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা, দুইটি গোসলখানা ও একটি গভীর নলকূপ থাকার কথা থাকলেও কিন্তু পয়ঃনিষ্কাশনের অপর্যাপ্ততা, নলকূপ ও গোসলখানার সমস্যা রয়েছে। সমস্যা সমাধানের জন্য সংস্কার করা হলেও ঘরের টিন দিয়ে পানি পরছে।

ঈদ উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা তাদের ভাগ্যে জুটছে না বলে অভিযোগ করেন বাসিন্দারা।

সেখানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভূমিহীন লোকদের বাছাই করে ১০০টি পরিবারের আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়। আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার সুবিধার জন্য একটি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। কিন্তু এর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা বকুল ফকির ও দোলন বেগম আক্ষেপ করে জানান, দুই ইউনিয়নের মধ্যবর্তী হওয়ায় কোন মেম্বার বা চেয়ারম্যানরা আমাদের সংবাদ নেয় না। তারা শুধু ভোটের সময় আমাদের কাছে আসে।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঈদ বা পূজায় সরকারি ভাবে সাহায্য সহযোগিতা দিলেও দুই ইউনিয়নের মধ্যবর্তী হওয়ায় আমরা সব সময় সাহায্য সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হই। প্রতি বছর শুধু ১০ কেজি করে চাল পেয়েছি।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২২ জুন, ২০১৮ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬