সারাদেশ | The Daily Ittefaq

চট্টগ্রামের বাজারে ভারতীয় পশু কম, দেশি গরুর চাহিদা বেশি

চট্টগ্রামের বাজারে ভারতীয় পশু কম, দেশি গরুর চাহিদা বেশি
আজহার মাহমুদ, চট্টগ্রাম অফিস২০ আগষ্ট, ২০১৮ ইং ০২:৩৫ মিঃ
চট্টগ্রামের বাজারে ভারতীয় পশু কম, দেশি গরুর চাহিদা বেশি
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঈদুল আজহায় ভারতীয় পশু বাজারে আসার কারণে এক ধরনের অস্থিতিশীলতা ছিল। দেশি খামারি ও বিক্রেতারা অনেকটা বেকায়দায় পড়তেন। তবে এবার ভারতীয় সীমান্তে কড়াকড়ির কারণে দেশের অন্যান্য বাজারগুলোর মতো চট্টগ্রামের বাজারেও ভারতীয় পশুর সংখ্যা অতি নগণ্য। ফলে বিক্রেতারা যেমন খুশি, তেমনি ক্রেতারাও দাম পরিবর্তনের আশা না করে আগেভাগেই পশু কিনে নিচ্ছেন।
 
এমনিতেই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে চট্টগ্রামের বাজারে দেশি পশুর চাহিদা বেশি। চট্টগ্রাম নগরীর আশপাশের উপজেলাগুলোতে স্থানীয়ভাবে পালিত গরুর প্রতি বেশি ঝোঁক স্থানীয় ক্রেতাদের। অনেকটা বেশি দামে হলেও কিছুটা মাঝারি গড়নের এসব পশু কিনে নেন স্থানীয়রা। যদিও অংশীদারি ভিত্তিতে কোরবানি দেয়ার ক্ষেত্রে দাম কমের জন্য অনেকে ভারতীয় গরু কিনেছেন গত কয়েক বছর ধরে। তবে এবার এই চিত্র পাল্টে যাবে বলে মনে করছেন পশু ব্যবসায়ীরা।
 
চট্টগ্রাম গবাদি পশু ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. শফিকুর রহমান ইত্তেফাককে বলছিলেন, এবারের বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্থানীয় গরু আছে। দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য জেলা থেকেও প্রচুর গরু এসেছে। আগের বছরগুলোতে এই সময়ে অনেকে অপেক্ষায় থাকেন যদি ভারতীয় গরু আসে, তাহলে দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে এবার ভারত থেকে গরু কম আসায় কেউ দাম পরিবর্তনের আশা করছেন না।
 
যদিও বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, বেচাকেনায় তারা সন্তষ্ট নন। তবে তাদের আশা রবি ও সোমবার প্রচুর পরিমাণে বেচাবিক্রি হবে। তেমনই একজন চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার গরু ব্যবসায়ী আজিজুল হক। তিনি ইত্তেফাককে বলছিলেন, তার নিজের খামারের ৪০টি গরু তিনি সাগরিকা ও বিবিরহাট বাজারে তুলেছেন। গত দুই দিনে মাত্র তিনটি গরু বিক্রি হয়েছে।
 
তবে কর্ণফুলী বাজারে আসা উত্তরাঞ্চলের পশু ব্যবসায়ী আলম হোসেন জানান, তিনি ২৫টি দেশি গরু মোটাতাজ করে এনেছেন। এরমধ্যে তিন দিনে ছয়টি গরু বিক্রি করেছেন। শিগগিরই বাকি গরুগুলো শীঘ্রই বিক্রি হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
 
চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পশুর হাট হচ্ছে সাগরিকা ও বিবিরহাট বাজার। এছাড়াও স্টিলমিল, পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, কমল মহাজন হাট, কর্ণফুলী নূর নগর হাউজিং সোসাইটি পশুর বাজারেও ইতোমধ্যে কেনাবেচা বেড়েছে। কেনাবেচা যাইহোক, প্রচুর গ্রাহকের ভিড় রয়েছে। এসব বাজারে কুষ্টিয়া, পাবনা, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঝিনাইদহ, নাটোর, নড়াইলসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রচুর গরু নিয়ে এসেছেন খামারিরা। এ ছাড়াও অল্প সংখ্যক ভারতীয়, বার্মিজ ও নেপালি গরুর দেখাও মিলেছে বাজারগুলোতে।
 
বিবিরহাট বাজারের ইজারাদার জামশেদ খান জানান, নগরীর যেখানে সেখানে অবৈধ বাজার উচ্ছেদের ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ না থাকা দুঃখজনক।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫৩
আসর৪:১৬
মাগরিব৬:০১
এশা৭:১৩
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৬